করো’নায় আ’ক্রান্ত কীভাবে বুঝবেন

করো’না আ’ক্রান্তদের কী ধরনের উপসর্গ দেখা যাবে তা কিছুটা নির্ভর করে ভাইরাল লোডের উপর। যার শরীরে ভাইরাল লোড কম, তিনি সাধারণত অ্যাসিম্পটোম্যাটিক থাকবেন।

অর্থাৎ উল্লেখযোগ্য কোনও উপসর্গ দেখা যাবে না তার। মাঝারি মানের ভাইরাল লোড হলে অল্প জ্বর, গা ম্যাজ ম্যাজ করা, সামান্য গলাব্যথার মতো সমস্যা হতে পারে। আর ভাইরাল লোড বেশি হলে শরীর বেশি খারাপ হবে- এমনই বলছেন ভারতের ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিশেষজ্ঞ জ্যোতিষ্ক পাল।

যে কোনও ছোটখাট উপসর্গও অনেক সময় মারাত্মক আকার নিতে পারে। তাই কোনও অবস্থাতেই এই অতিমারি সৃষ্টিকারী ভাইরাসকে অবহেলা করা উচিত নয়। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে কো’ভিড-১৯ টেস্ট করানো উচিত।

জ্যোতিষ্ক পাল জানালেন, ভাইরাল লোড কম হলে অনেক সময়েই রিপোর্ট নেগেটিভ আসে। এমনিতেই কো’ভিড-১৯ এর টেস্ট আরটিপিসিআর-এর ফল ৩০% থেকে ৪০% ক্ষেত্রে নেগেটিভ আসে। চিকিৎসকের সন্দেহ হলে তিনি দ্বিতীয় ও তৃতীয়বার পরীক্ষা করাতে পারেন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মতে, এই অসুখটাকে কোনও মতেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। আক্রান্ত এলাকার বাসিন্দাদের প্রত্যেকেই সংক্রমিত হতে পারেন। ছোটখাট কোনও রকম লক্ষণ দেখলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

একনজরে জেনে নেওয়া যাক কী কী লক্ষণ দেখলে করোনার আশঙ্কা করতে পারেন।
১. গলা ব্যথা, সর্দি
২. শুকনো কাশি
৩. জ্বর জ্বর ভাব
৪. দুর্বলতা, গা ম্যাজম্যাজ করা

৫. মাথা, গা, হাত-পা ব্যথা করা
৬. জিভের স্বাদ ও গন্ধের বোধ চলে গিয়ে খাবার খেতে অনীহা
৭. মাথা ব্যথা
৮. চোখ লাল হয়ে পানি পড়া

৯. ডায়ারিয়া ও পেটে ব্যথা
১০. হাত ও পায়ের আঙুলের রং বদলে যাওয়া
১১. ত্বকে র‍্যাশ ও চুলকানি
১২. বুকে চাপ ধরা ভাব ও যন্ত্রণা

১৩. নিঃশ্বাসের কষ্ট, অল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে যাওয়া
১৪. আচমকা কয়েক মিনিটের জন্যে ব্ল্যাক আউট হয়ে যাওয়া
১৫. কথা বলতে অসুবিধা হওয়া।

উপরের উপসর্গের কোনও একটি দেখলেই যে আতঙ্কিত হয়ে হাসপাতালে দৌড়াতে হবে তা নয়। এই লক্ষণগুলো যদি থাকে এবং সমস্যা বাড়তে শুরু করে তখন অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। এর আগে বাড়িতে থাকুন দূরত্ববিধি মেনে, মাস্ক পরে আর কোভিড-১৯ কে দূরে রাখুন। সূত্র: আনন্দবাজার

Back to top button