অটিজমে আক্রান্ত শিশুর বিকাশে অভিভাবকের করণীয়

প্রতিটি শিশুর ক্ষেত্রেই কিছু সীমাবদ্ধতার জায়গা থাকে। যেগুলোকে প্রথমে চিহ্নিত করা হয়। ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোনগুলো ঠিকমতো স্পর্শ করছে কি-না শিশুটি, সেগুলো বোঝার চেষ্টা করাটাই প্রথম কাজ।

ছোট বাচ্চার ঘাড় শক্ত হয়েছে কি-না, পেটের উপর শুয়ে মাথা উঁচু করছে কি-না কিংবা খুব খুশি হয়ে হাত-পা নড়াচড়া করছে কি-না এগুলোই সাধারণত দেখা হয়। শিশুরা এ সময় হাত মুখে নিয়ে আসার ক্ষমতা অর্জন করে। চ, ল্যাঙ্গুয়েজ, সোশ্যাল স্কিলস এগুলোতে বিলম্বিত হয় কিংবা খেলাধুলা ও অন্যের সঙ্গে মেলামেশা না করে তাহলে ভাবনার বিষয়।

অনেক সময় অটিজম ছাড়াও এসব মাইলস্টোনগুলো বিলম্বিত হয়ে থাকে। দেখা যায়, শিশুদের নিয়ে খুব একটা প্রকৃতির কাছে যাওয়া হয় না বা তাদের বিকাশ প্রকাশের জন্য যেসব কার্যক্রম আছে দৌড়ানো, লাফানো, ঝাপানো এগুলো করতে দেয়া না হলেই ঘটে এমন ঘটনা। এটা ঠিক নয়।

এগুলো করলে শিশু সমাজ ও পরিবেশ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা গ্রহণ করে। তার ছোট আঙুলগুলো দিয়ে সে কীভাবে কাজ করে, ছোট ছোট জিনিস উঠাতে পারে কি-না, পেন্সিল ঠিকমতো ধরতে কিংবা লিখতে পারছে কি-না এগুলো দেখা হয়।

আজকাল অনেক বেশি জোর দেয়া হয় বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন শিশুর লেখার উপরে।যদি কোনো শিশু ডেভেলপমেন্টাল মাইলস্টোন অনুযায়ী ঠিকমতো বড় না হয়; তাহলেই চিন্তার বিষয়। ৩-৪ মাস পার্থক্য হতেই পারে। যদি কোনো শিশুর বয়স অনুযায়ী বিকাশ না ঘটে এবং এসব সমস্যার মুখোমুখি হলে বুঝতে হবে কোথাও না কোথাও একটু অসুবিধা আছে।

Related Articles

Back to top button