দ্বিতীয় বিয়ের পরেও সাবেক স্বামীর সঙ্গে স’ম্পর্ক রা’খেন এ অ'ভিনেত্রী!

বলিউডে প্রথম ছবি ছিল ‘তে’রা জাদু চল গ্যয়া’। কিন্তু ইন্ডাস্ট্রিতে বেশিদিন স্থা’য়ী হয়নি কী'র্তি রেড্ডির জাদু। কিছু ছবির পরেই বিনোদন দুনিয়া থেকে বি’দায় নেন এই নায়িকা।

অ'ভিজ্ঞ রাজনী’তিক কেশপল্লী গঙ্গা রেড্ডির নাতনি কী'র্তির জ’ন্ম ১৯৭৭ সালের ২১ জানুয়ারি। তার মা ছিলেন ইন্টিরিয়র এবং ড্রেস ডিজাইনার। পরিবারে অ'ভিনয়ের ধারা কোনো দিন ছিল না। কিন্তু কী'র্তির প্রথম থেকেই ইচ্ছে ছিল অ'ভিনেত্রী হওয়ার।

ব্যাঙ্গালুরুর ‘দ্য ভ্যালি স্কুল’ এবং হায়দরাবাদের ‘সেন্ট জোসেফ পাবলিক স্কুল’ থেকে পাশ করার পরে কী'র্তি পড়াশোনা করেন আ'মেরিকার রায়ারসন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। দীর্ঘদিন ভরতনাট্যমে প্রশিক্ষণ নেওয়া কী'র্তি অ'ভিনয় জীবন শুরু করেন ১৯৯৬ সালে। প্রথম ছবি ছিল তেলুগু ভাষায় ‘গানশট’। চার বছর তামিল ও তেলুগু ইন্ডাস্ট্রিতে বেশ কিছু ছবিতে অ'ভিনয় করেন কী'র্তি। তারপর সুযোগ আসে বলিউডে।

২০০০ সালে অ'ভিষেক বচ্চনের বিপরীতে ‘তেরা জাদু চল গ্যয়া’ ছবি দিয়ে বলিউড অ’ভিযান শুরু কী'র্তির। তবে ছবিটি বক্স অফি’সে মুখ থুবড়ে পড়ে। অ'ভিষেক-কী'র্তি জুটি বা নায়িকা হিসেবে কী'র্তি- কিছুই জনপ্রিয় হয়নি দর্শকমহলে। ব্য’র্থতার পরেও কী'র্তির কাছে সুযোগ আসা ব’ন্ধ হয়নি। ২০০১’তে তিনি অ'ভিনয় করেন ‘প্যায়ার ইশক অউর মহব্বত’ ছবিতে। এই ছবিতে তিনি স্ক্রিন শেয়ার করেন সুনীল শেট্টি, অর্জুন রামপাল এবং আফতাব শি'বদাসানির স’ঙ্গে।

কিন্তু প্রথম ছবির মতো দ্বিতীয় ছবিতেও বলিউডে কী'র্তির সুপ্রসন্ন ভাগ্য অধ’রাই থেকে যায়। তৃতীয় ছবিতে তিনি সুযোগ পেলেন অনিল কাপুর, শিল্পা শেট্টির স’ঙ্গে অ'ভিনয়ের।সতীশ কৌশিকের পরিচালনায় সেই ছবি ‘বধাই হো বধাই’ মু’ক্তি পেয়েছিল ২০০২ সালে। কিন্তু এই রোমান্টিক কমেডিও বক্স অফি’সে সে রকম সাফল্য পায়নি। পর পর ৩ ছবিতে ব্য’র্থতার পরে কী'র্তিকে আর সুযোগ দেয়নি বলিউড। তিনি আবার চলে যান দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রিতে। ২০০২ সালে অ'ভিনয় করেন কন্নড় ছবি ‘সুপার স্টার’তে।

২ বছর পরে মু’ক্তি পায় কী'র্তির আরো একটি তেলুগু ছবি, ‘অর্জুন’। ছবিতে কী'র্তির বিপীরতে নায়ক ছিলেন মহেশ বাবু। এরপর কী'র্তিকে আর কোনো ছবিতে দেখা যায়নি। ২০০৪ সালে কী'র্তি বিয়ে করেন তেলুগু অ'ভিনেতা সুমন্তকে। সুমন্তর মা ছিলেন বিশিষ্ট অ'ভিনেতা এবং প্রযোজক আক্কিনেনি নাগেশ্বর রাওয়ের মে'য়ে। সুমন্তর বাবা সুরেন্দ্র ইয়ারলা’গাড্ডাও ছিলেন প্রযোজক।

সুমন্তর জ’ন্মের আগে থেকেই তার বাবা মা ছিলেন আ'মেরিকাপ্রবাসী। পরেও তারা সেখানেই চলে যান। তবে সুমন্তকে নিজে’র কাছে রেখে দেন তার দাদু আক্কিনেনি নাগেশ্বর রাও। কেরিয়ারের চা’পে নিজে’র পিতৃত্ব তিনি উপভো’গ ক’রতে পারেননি। তাই নাতিকে নিজে’র মতো করে বড় ক’রতে চেয়েছিলেন এই প্রবীণ অ'ভিনেতা।

পরবর্তীতে দাদুর মতো সুমন্তও পা রাখেন বিনোদন দুনিয়ায়। তার মামা নাগার্জুন আক্কিনেনিও তেলুগু ছবির ইন্ডাস্ট্রিতে উল্লেখযোগ্য নাম। কী'র্তির স’ঙ্গে সুমন্তর দাম্পত্য ছিল স্বল্পস্থা’য়ী। বিয়ের ১ বছর পর থেকেই স’ম্পর্কে ফাটল। এরপর ডিভোর্স ২০০৬’তে। তবে, বি’চ্ছেদের পরেও দু’জনের ব’ন্ধুত্বপূর্ণ স’ম্পর্ক বজায় আছে। ডিভোর্স নিয়ে কী'র্তি কোনো দিন মুখ খোলেননি।

সুমন্ত জা’নিয়েছেন, তাদের মা’নসিকতার মিল ছিল না। তাই দু’জনে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে ডিভোর্সের সি’দ্ধান্ত নেন। বি’চ্ছেদের পরে সুমন্ত আর বিয়ে করেননি। কী'র্তির দ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর পরিচয় সেভাবে কোনো দিন সংবাদমাধ্যমে আসেনি। শোনা যায়, তিনি আ'মেরিকাপ্রবাসী চিকি’ৎসক।

বিয়ের পর কী'র্তিও আ'মেরিকায় ছিলেন বলে কিছু সূত্রে শোনা যায়। তবে তার সাবেক স্বামী সুমন্ত জা’নিয়েছেন, ২ সন্তানের মা কী'র্তি এখন ব্যাঙ্গালুরুবাসী ব্যস্ত গৃহিণী। তার স’ঙ্গে মাঝে মাঝে কথাও হয় বলে দা’বি সুমন্তর। ২০১৯ সালে ডিজাইনার শিল্পা রেড্ডির স’ঙ্গে সাতপাকে বাঁ’ধা পড়েন কী'র্তির ভাই প্রীতম।

ঘ’টনাচক্রে শিল্পা খুবই ঘনি’ষ্ঠ আক্কিনেনি পরিবারের স’ঙ্গে। সেই সূত্রে বিয়েতে আমন্ত্রিত অ'তিথিদের মধ্যে ছিলেন সুমন্তও। দীর্ঘদিন পরে ওই বিয়ের আসরে একইস’ঙ্গে ফ্রেমব'ন্দি হন সুমন্ত ও কী'র্তি। তাদের সেলফিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছিলেন কী'র্তি।

Back to top button