এইচএসসির ফলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত: শিক্ষামন্ত্রী

করো’না ভাই’রাস কারণে পরীক্ষা ছাড়া এইচএসসি বা উচ্চ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশে ‘মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (সংশোধিত) আইন, ২০২১’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন হয় মন্ত্রিসভায়।

আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভা’র্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী ও সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি সোমবার দুপুরে গণমাধ্যমকে এই নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, ‘এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশে সংশোধিত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড আইন অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এখন আর অধ্যাদেশ হচ্ছে না। সংশোধিত আইনের খসড়া আগামী ১৮ জানুয়ারি সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে উপস্থাপন ও পাশের পর এইচএসসির ফল প্রকাশ করা হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন, ‘সংশোধিত আইন অনুযায়ী দু’র্যোগকালীন পরীক্ষা নিতে সক্ষম না হলে মূল্যায়ন তথা ফল দেওয়ার বিধান যু’ক্ত করা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে পরীক্ষা ছাড়া ফল প্রকাশের বিধান নেই।’এর আগে মন্ত্রিসভা’র বৈঠকে উত্থাপনের জন্য অধ্যাদেশটির খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়।মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, অধ্যাদেশটি আজ বৈঠকের এজেন্ডায় রাখা হয়েছিল।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নেতৃত্বের দুর্বলতা আর অস্বচ্ছ রাজনীতিই বিএনপিকে ভোটের রাজনীতি থেকে দিন দিন পিছিয়ে দিচ্ছে।তিনি বলেন, তারা জনগণের কাছে ভোট না চেয়ে সরকারের অন্ধ সমালোচনা ও মিথ্যাচারকেই ব্রত হিসেবে নিয়েছেন, যা প্রকারান্তরে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে দুর্বল করে তুলছে।

আজ রোববার (১৭ জানুয়ারি) সকালে ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ মন্তব্য করেন। পৌর নির্বাচনের পর সিরাজগঞ্জে যে সংঘাত হয়েছে, তা দুঃখজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।পৌরসভা নির্বাচনে যারা আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বি'রুদ্ধে নির্বাচন করে জয়লাভ করেছে, তাদের ভবিষ্যতে দলের কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে আর বিবেচনায় আনা হবে না বলে হুশিয়ার করেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে যারা দলের সিদ্ধান্ত মানবে না এবং দলের শৃঙ্খলাবিরোধী কাজ করেব, তাদের বি'রুদ্ধে শা'স্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।জয়-পরাজয় যাইহোক পরবর্তী নির্বাচনে তারা আর মনোনয়ন পাবে না, এটাই আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত বলেও স্পষ্ট জানিয়ে দেন সেতুমন্ত্রী।

শনিবার দ্বিতীয় ধাপের পৌরসভা নির্বাচনে জয় লাভ করা দলের মনোনীত প্রার্থীদের অ'ভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এ বিজয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়ার উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা ও সমৃদ্ধির বিজয়।

সেতুমন্ত্রী এ বিজয়কে গণতন্ত্রের অ'ভিযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার বিজয় বলেও মত প্রকাশ করেন।ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, নির্বাচন নিয়ে কথায় কথায় হতাশা প্রকাশ করে, গতকালের নির্বাচনে জনগণ তাদের ‘উদ্দেশ্যমূলক’ অ'পপ্রচারের জবাব দিয়েছে।

‘ভোট'কেন্দ্র সরকারি দলের দখলে ছিল’ বিএনপির এমন অ'ভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, তাহলে তাদের ৪ জন প্রার্থী কী'ভাবে বিজয়ী হলেন?ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, বিএনপি নেতারা মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে শীত উদযাপন করেছেন। কর্মীরা ভোট দিতে চাইলেও মাঝদুপুরে ভোট বর্জনের সংস্কৃতি তাদের তাড়া করে।

৬০টি পৌরসভা'র মধ্যে ২৯টিতে ইভিএম এবং ৩১টিতে ব্যালটে ভোট হয়েছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ইভিএমে জনগণ স্বাচ্ছন্দ্যে ভোট দিয়েছে। তাদের মধ্যে কোনো জড়তা ছিল না।ইভিএমে ভোট দেওয়ার বিষয়ে জনগণের আগ্রহ এখন অনেক বেড়েছে বলেও মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

Back to top button