প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মক'র্তাদের জন্য পদোন্নতির সুখবর

পদোন্নতি পেতে যাচ্ছেন প্রাথমিকের শিক্ষক-কর্মক'র্তারা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর থেকে কর্মক'র্তা-কর্মচারী নিয়োগ বিধিমালা-২০২০ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। এখন সেটি অনুমোদনের অ'পেক্ষায় রয়েছে বলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে জানা গেছে।

নিয়োগ বিধিমালা অনুমোদন হলে সহকারী শিক্ষকরা প্রধান শিক্ষক, সহকারী উপজে'লা শিক্ষা অফিসার, উপজে'লা শিক্ষা অফিসার, সহকারী পরিচালক, এমনকি সর্বোচ্চ পরিচালক পর্যন্ত পদোন্নতি পাবেন বলে জানা গেছে। এবারই প্রথম প্রাথমিক শিক্ষা প্রশাসন থেকে পরিচালক নিয়োগ করা হবে। এর আগে বিসিএসের প্রশাসন ক্যাডার থেকে পরিচালক নিয়োগ করা হতো।

প্রাই'মা'রি টিচার ইন্সটিটিউটে (পিটিআই) কয়েকটি বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হলেও মৌলিক বাংলা, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ের প্রশিক্ষক ছিল না। এখন নিয়োগ বিধিমালার খসড়ায় এই তিন বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে তাদের মাধ্যমে বিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রশিক্ষক দিতে বলা হয়েছে।

বুধবার (১৩ জানুয়ারি) এ বিষয়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক আলমগীর মুহম্ম'দ মনসুরুল আলম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রাথমিকে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে ও শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের হতাশা দূরীকরণে তাদের পদোন্নতির রাস্তা খুলে দেয়া হচ্ছে। এজন্য একটি অ'ভিন্ন নিয়োগ বিধিমালা তৈরি করা হচ্ছে। বর্তমানে সেটি অনুমোদনের অ'পেক্ষায় রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আম'রা শিক্ষকদের কর্মক'র্তা বা কর্মচারী ভাবতে চাই না। তারা শিক্ষক, তারা সম্মানীয়। তাই তাদের জন্য আম'রা ১৯৮৫ সালের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের গেজেটেড অফিসার ও নন-গেজেটেড কর্মচারীদের নিয়োগ বিধিমালা সংশোধন করছি। সেটি মন্ত্রণালয়ে খসড়া পাঠানো হয়েছে।’

এদিকে বুধবার (১৩ জানুয়ারি) ২০১৩-১৪ সালে বেসরকারি থেকে সরকারি হওয়া প্রাথমিক শিক্ষকদের টাইম স্কেলের সুবিধা ফেরত দেয়ার বিষয়ে পরিপত্র জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়। টাইম স্কেলের এ সুবিধা দেয়া হয়েছিল জাতীয়করণ করা ৪৮ হাজার ৭২০ জন শিক্ষককে।

সম্প্রতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এবং সহকারী শিক্ষকের বিভাগীয় পদোন্নতি নিয়ে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। এ বিষয়ে শিক্ষকদের পক্ষ থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরে লিখিত একটি আবেদন দেওয়া হয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর নিয়োগ বিধিমালা সংশোধনের উদ্যোগ নেয়।

Back to top button