তিন বন্ধুকে নিয়ে নানা আলোচনা!

প্রভাবশালীদের চাপে পড়ে ফারদিন ইফতেখার দিহানের তিন বন্ধুকে আড়াল করার অ'ভিযোগ করেছে নি’হ’ত স্কুল শিক্ষার্থী আনুশকার পরিবার। এমন অ'ভিযোগ আনুশকার সহপাঠীদেরও। ধ.র্ষ”ণে”র পর আনুশকার মৃ’ত্যু’র ঘটনায় দায়ের করা মাম’লায় এই তিনজনকে আ’সামি করা হয়নি।

ঘ’টনার বিষয়ে তথ্য জানতে তাদের জি’জ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আনুশকার পরিবার বার বার প্রশ্ন তুললেও ত'দন্ত সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে- প্রয়োজনে ওই তিনজনকে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ঘ’টনার দিন সন্ধ্যায় ফারদিন ইফতেখার দিহানের সঙ্গে থাকা হু'মায়েদ মিল্কি, অলভি মাহবুব এবং তাদের আরেক বন্ধুকে প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

এ ঘটনায় হাসপাতা'লে থাকা ফারদিনের আরেক বন্ধুর বিস্তারিত নাম পরিচয় জানা যায়নি। গত বুধবার একটি ইংরেজি আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে দিহানের সহযোগী হিসেবে হু'মায়েদ মিল্কি, অলভি মাহবুব এবং মি. এক্স বলে উল্লেখ করা হয়। দিহানের তৃতীয় এই বন্ধুটিকে নিয়েই র'হস্য ঘনীভূত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ফারদিনের তিন বন্ধুর মধ্যে দু’জনের পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড অনেক ভালো। তাদের মধ্যে একজন একটি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মক'র্তার আত্মীয়। তারা দু’জন স'ম্পর্কে চাচাতো ভাই। ফারদিনের আরেক বন্ধু মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাদের দু’জনের বাসা ধানমন্ডি এলাকায় এবং আরেকজনের বাসা কলাবাগান থা'নাধীন ভূতের গ’লি এলাকায়।

গ্রে’প্তা’রের পর দিহান জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, ঘ’টনার দিন ফারদিন প্রথমে তার এক বন্ধুকে ফোন দিয়ে জানায়, সে অ'সুস্থ দ্রুত হাসপাতা'লে আসতে হবে। পরবর্তীতে ওই বন্ধু তার অন্য দুই বন্ধুকে ফোন দিয়ে হাসপাতা'লে ডেকে আনে। তারা মূলত কেউ সরাসরি বন্ধু নয়। এক বন্ধুকে দিয়ে আরেক বন্ধুর সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে তাদের।

সূত্র জানায়, দিহান এর আগেও একাধিক মে'য়ের সঙ্গে প্রে'মের স'ম্পর্ক করে। দিহান মূলত তার বাবার প্রভাব প্রতিপত্তি, দামি গাড়ি এবং উপহার সামগ্রী দিয়ে মে'য়েদের প্রভাবিত করতো। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দিহান এবং তার বন্ধুরাসহ বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থী মিলে একত্রে একেক জনকে মা'রধর করা, স্কুলের বাইরে গিয়ে বিভিন্নজনকে হু’মকি দেয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে।

তাদের ‘ও’ লেভেল’ শেষ হয়েছে গত বছরের আগস্ট মাসে। বর্তমানে তারা কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যু'ক্ত নেই। রমনা জোনের উপ-পু'লিশ কমিশনার (ডিসি) সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ঘ’টনার দিন হাসপাতা'লে দিহানের সঙ্গে থাকা তিন বন্ধু যেহেতু আ’সা’মি নয় তাই তাদের বিস্তারিত নাম-পরিচয় আনুষ্ঠানিকভাবে সংগ্রহ করা হয়নি।

তারা আমাদের দৃষ্টিতে অ’প’রাধী প্রমাণিত হয়নি। এক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি এর সঙ্গে জ'ড়িত কিনা সেটা খুঁজে বের করা আমাদের দায়িত্ব। তারা দিহানের বন্ধু এটাই তাদের প্রথম পরিচয়। এর বাইরে আম'রা ওভাবে তথ্য সংগ্রহ করিনি। তারা চারজনই শিক্ষার্থী। তবে এর বেশি বিস্তারিত কিছু বলার সুযোগ নেই।

Back to top button