সেই শিপ্রার ভি’ডিও ভা’ই'রাল, জনমনে নতুন প্রশ্ন

সেই শিপ্রার ভি’ডিও ভা’ই'রাল-ঢাকার স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজের ছা'ত্রী শিপ্রা দেবনাথের ছিল ফি’ল্ম বা’নানোর নে’শা; আর দুই বছর আগে সে’নাবাহিনী থেকে যাওয়া সিনহা মোহাম্ম'দ রাশেদ খানের স্বপ্ন ছিল বিশ্বভ্রমণ। সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে বে’ড়াতে গিয়ে

তাদের প’রিচয়, বন্ধুত্ব; সেখান থেকেই ‘জাস্ট গো’র শুরু। এর ধা’রাবাহিকতায় গড়ে ওঠে চারজনের একটি দল, উদ্দেশ্য ছিল ট্র্যা’ভেল ড’কুমেন্টারি তৈরি করা। সিনহা আর শিপ্রার সঙ্গে এই দলে ছিলেন সাহেদুল ইস'লাম সিফাত আর তাহসিন রিফাত নূর। চারজনের এই দলটি জুলাইয়ের শুরুতে কক্সবাজারে

গিয়ে ড’কুমেন্টারির জন্য কাজ শুরু করে। কিন্তু ৩১ জুলাই রাতে বা’হারছড়া চে’কপো’স্টে পু’লিশের গু’লি’তে অ’বসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহার মৃ’ত্যু বদলে দেয় সব। শিপ্রা বলছেন, তারা শুধু ‘জাস্ট গো’র জন্য শু’টিং করতেই ক’ক্সবাজারে গিয়েছিলেন, এর বাইরে আর কোনো উ’দ্দেশ্য তাদের ছিল না।

এ দিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে শিপ্রার একটি না’চের ভিডিও। এ নিয়ে চলছে নানা সমালোচনা। প্রসঙ্গত, গত ৩ জুলাই সিনহার সঙ্গে শিপ্রা দেবনাথ, সাহেদুল ইস'লাম সিফাত ও তাসকিন কক্সবাজার যান ভ্রমণবিষয়ক ভি’ডিওচিত্র ধা’রণ করতে। গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের’

মা'রিষবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লা’শি চৌ’কিতে পু’লিশের গু’লিতে নি’হ’ত হন মেজর (অব.) সিনহা। এ সময় পু’লিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আ’ট'ক করে কা’রাগারে পাঠায়। পরে

রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আ’ট'ক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জা’মিনে মু’ক্ত। ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর ত’ল্লা’শি চৌ’কিতে পু’লিশের গু’লি’তে মেজর (অব.) সি’নহা নি’হ’ত হওয়ার ঘ’টনায় পু’লিশের পক্ষ থেকে দুটি মা’মলা হয়। একটি মা’মলায় হয় টেকনাফ থা’নায়। এই মা’মলায় সরকারি কাজে বাধা ও গু’লি’তে নি’হ’ত হওয়ার অ'ভি’যোগ আনা হয়।

সেই মা’মলার আ’সামি করা হয় সিফাতকে। আর মা’দ’কদ্রব্য নিয়’ন্ত্রণ আইনে রামু থা’নায় দায়ের করা মা’দক মা’মলায় আ’সামি করা হয় শিপ্রা দেবনাথকে। গত বুধবার কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আ'দালত এই সাত আ’সামিকে রেবের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে সাত দিন করে রি’মান্ড মনজুর করেন।

Back to top button