ঢাকার যে সব স্থানে করোনা রোগী শনাক্ত

দেশের ১০টি জে'লায় এখন পর্যন্ত করো'না ভাই'রাসের সংক্রমণ ঘটেছে। শনাক্ত হওয়া রোগীর সংখ্যা এখন ৬২ জন। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিস্তার ঘটেছে ঢাকায়।

ঢাকায় শনাক্ত হয়েছেন ৩৬ জন করো'না রোগী। এদের মধ্যে মিরপুরের ৯ জন। মিরপুরের মনিপুরে ৫ জন, সেনপাড়ায় দুজন, মিরপুর ১০ ও ১১ নম্বর এলাকার একজন করে রোগী আছেন। বাসাবোয় ৪ জন, বাংলাবাজারে ৩ জন, মোহাম্ম'দপুর, লালমাটিয়া, হাজারীবাগ, মগবাজার, উত্তরা ও উত্তরখানে দুজন করে রোগী আছেন। এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী, আজিমপুর, কলাবাগান, রামপুরা, মহাখালী, বনানী-গুলশান, বারিধারা ও খিলক্ষেত এলাকায় একজন করে রোগী আছেন।

আ'ক্রান্তদের মধ্যে নারীর তুলানায় পুরুষের সংখ্যাই বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ঢাকার বাইরে দেশের ১০টি জে'লায় এখন পর্যন্ত করো'না ভাই'রাসের সংক্রমণ ঘটেছে। ঢাকায় আ'ক্রান্ত হয়েছেন ৩৬ জন। মাদারীপুর জে'লায় ১০ জন, নারায়ণগঞ্জ জে'লায় ৪ জন, গাইবান্ধা জে'লায় ৪ জন। এ ছাড়া গাজীপুর, কুমিল্লা, কক্সবাজার, চুয়াডাঙ্গা ও রংপুর জে'লায় একজন করে করো'না রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

দেশে প্রথম করো'না ভাই'রাসের রোগী শনাক্ত হয় গত ৮ মা'র্চ। তিনি মাদারীপুরের বাসিন্দা। এরপর রোগী শনাক্ত হয় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে।

প্রাথমিক অবস্থায় এটি বিদেশ ফেরত ও তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও ধীরে ধীরে তা স্থানীয়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। সম্প্রতি ব্রিফিংয়ে সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, করো'না ভাই'রাসে আ'ক্রান্ত কয়েক জনের সংক্রমণের উৎস পাওয়া যায়নি। ভাই'রাসটি স্থানীয় পর্যায়ে ছড়ালেও তা খুবই কম মাত্রার বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সাধারণত সংক্রমণের উৎস পাওয়া না গেলে এটিকে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন বলা হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, করো'না ভাই'রাসে আ'ক্রান্তদের মধ্যে ১৬ জন বিদেশ ফেরত। মূলত তাদের মাধ্যমে দেশে করো'নার সংক্রমণ ঘটেছে। বিদেশ ফেরতদের মধ্যে ইতালির ৬ জন, যু'ক্তরাষ্ট্রের ৩ জন, সৌদি আরবের দুজন এবং ভা'রত, ফ্রান্স, জার্মানি, কুয়েত ও বাহরাইনের একজন করে রয়েছেন।

Back to top button