করো'না সংক্রমণ ছড়ানোর আশ'ঙ্কায় গ্রামে ঠাঁই হয়নি বৃদ্ধার, নৌকাতেই বাস!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে এসে এখন নদীর বুকেই বাস করতে বাধ্য হচ্ছেন বছর ষাটেকের নিরঞ্জন হালদার। কিছুদিন আগে তিনি নিজের গ্রাম থেকে আত্মীয়ের বাড়ি আসার পর অ'সুস্থ বোধ করেন। সর্দি-কাশি ও জ্বর-জ্বর অনুভব করায় দেরি না করে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। করো'না সংক্রমণের আশ'ঙ্কায় চিকিৎসকরা তাঁকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টিনে থাকার পরাম'র্শ দেন।

কিন্তু ইতোমধ্যে ভা'রত জুড়ে লকডাউন শুরু হয়ে যাওয়ায় কী'ভাবেই বা নিজের বাড়িতে ফিরে যাবেন নদিয়া জে'লার নবদ্বীপের ওই বাসিন্দা? এদিকে যে বাড়িতে তিনি বেড়াতে গিয়েছিলেন তাঁদেরও আলাদা করে ওই বৃদ্ধকে রাখার মতো যথেষ্ট ঘরের সুবিধা নেই। আর তাছাড়া স্থানীয়রাও করো'না আ'ক্রান্ত স'ন্দেহে বৃদ্ধকে গ্রামের ভিতরে থাকতে দিতে নারাজ। তাই বাধ্য হয়ে নৌকাতেই আপাতভাবে “সেল্ফ-কোয়ারান্টাইন”-এ আছেন তিনি। গত ৪ দিন ধরে নদীর বুকে ভাসমান নৌকাই তাঁর ঘর। ঘটনাটি মালদহ জে'লার হাবিবপুর ব্লকের অন্তর্গত ডোবাপাড়া এলাকার।

এ ব্যাপারে নিরঞ্জন হালদার নামে ওই ব্যক্তিকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “কোভিড ১৯-এর আতঙ্কের মধ্যেই আমি জ্বরে ভুগতে শুরু করি। চিকিৎসকরা আমায় ঘরের মধ্যে সকলের থেকে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় ১৪ দিন থাকতে বলেন।কিন্তু গ্রামবাসীরা আমাকে তাঁদের গ্রামে থাকতে দিতে চায় না। তাই বাধ্য হয়ে স্থানীয় চিকিৎসকের পরাম'র্শ মতো এই ১৪ দিন আমি নৌকাতেই আশ্রয় নিয়েছি”।

কিন্তু নৌকার মধ্যে থাকাকালীন ওই বৃদ্ধ কী'ভাবে পাচ্ছেন খাদ্য বা পানীয় জল? স্থানীয় প্রশাসনের কর্মক'র্তাদের দাবি বিষয়টি জানার পর তাঁরা পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দা তপন বিশ্বা'স বলেন, “করো'নাভাই'রাসে আ'ক্রান্ত স'ন্দেহে আম'রা তাঁঁর জন্যে নৌকাতেই আলাদা থাকার ব্যবস্থা করেছি। আম'রা ওখানেই তাঁকে খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করছি।” সূত্র : এনডিটিভি

Back to top button