সৌদিতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৫ করো'না আ'ক্রান্ত

সৌদি আরবে ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬৫ জন করো'নাভাই'রাসে আ'ক্রান্ত হয়েছে। দেশটিতে এ নিয়ে মোট আ'ক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১ হাজার ৮৮৫ জনে। মোট মৃ'ত্যুর সংখ্যা ২১।

বৃহস্পতিবার দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সূত্রে সৌদি আরবে ৩ জন বাংলাদেশি মা'রা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬৪ জন রোগী সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরেছে।

এদিকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত দেশটির আজইয়াদ, আল মাসাফি, মিসফা'লাহ, আল হুজুন, নাকাসা ও হোশ বকর এলাকায় প্রবেশ বা বহির্গমন নিষিদ্ধ থাকবে। কারফিউ চলাকালীন সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৩টার মধ্যে শুধু চিকিৎসা ও নিত্যপণ্য কেনাকা'টায় বাইরে যাওয়া যাবে।

এর আগে, গত ২৬ মা'র্চ থেকে সৌদি আরবের ব্যস্ততম এলাকা ম'ক্কা, ম'দিনা ও রাজধানী রিয়াদে বিকেল ৩টা থেকে পরদিন সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউ জারি হয়। ২৩ মা'র্চ থেকে দেশটিতে ২১ দিনের আংশিক কারফিউ শুরু হয়। তখন সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কারফিউয়ের সময় ঘোষণা করা হয়েছিল।

গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে প্রথম শনাক্ত করা হয় করো'নাভাই'রাস। এরপর ছড়িয়ে পড়েছে সারা'বিশ্বে। এ পর্যন্ত ৭ লাখ ৭২ হাজার ২২৬ জন আ'ক্রান্ত হয়েছে এই ভাই'রাস। মা'রা গেছে ৩৭ হাজার ২২ জন।

এদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ইতোমধ্যে বলেছেন, নভেল করো'নাভাই'রাসের চলতি প্রাদুর্ভাব দ্বিতীয় বিশ্বযু'দ্ধের পর থেকে বিশ্বের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হয়ে এসেছে।

তিন মাস আগে চীনের উহানে প্রথম সংক্রমণ ঘটার পর ইউরোপকে বিপর্যস্ত করে এখন যু'ক্তরাষ্ট্র হয়ে উঠেছে করো'নাভাই'রাস মহামা'রির নতুন কেন্দ্র। গত ১ মা'র্চ করো'নাভাই'রাসে আ'ক্রান্তের সংখ্যা যু'ক্তরাষ্ট্রে হাতেগোনা কয়েকজন হলেও এক মাসের ব্যবধানে এই সংখ্যা ছাড়িয়েছে দুই লাখ।

মা'র্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, কোভিড-১৯ মহামা'রিতে যু'ক্তরাষ্ট্রে এক থেকে আড়াই লাখ মানুষের মৃ'ত্যুর আশ'ঙ্কার কথা জানাচ্ছেন গবেষকরা। এই পরিস্থিতিতে দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা'ম্প বলছেন, সামনে খুব ক'ষ্টের সময় আসছে।

এদিকে, ইউরোপের সবচেয়ে বিপর্যস্ত দেশ ইতালি ও স্পেনে আ'ক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির হার কমলেও মৃ'তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। যু'ক্তরাষ্ট্রের পর ইতালি ও স্পেন দুই দেশেই আ'ক্রান্তের সংখ্যা লাখ ছাড়িয়েছে। ইতালিতে আ'ক্রান্ত হয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৫৭৪ জন, আর স্পেনে ১ লাখ ৪ হাজার ১১৮ জন।

এরপরের অবস্থানে রয়েছে করো'নাভাই'রাসের উৎপত্তিস্থল চীন। দেশটিতে ৮১ হাজার ৫৫৪ জন আ'ক্রান্ত হয়েছেন। মা'রা গেছেন ৩ হাজার ৩১২ জন। আর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন ৭৬ হাজার ২৩৮ জন।

Back to top button