রাস্তায় ঘোরাঘুরি ও চায়ের দোকানে আড্ডা, ২৪ হাজার টাকা জ'রিমানা

কি'শোরগঞ্জের ভৈরবে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে এবং সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে সাঁড়াশি অ'ভিযানে মাঠে নেমেছে উপজে'লা প্রশাসন। শহরের অলি-গলি ও সড়কে বিনা কারণে ঘোরাঘুরি এবং উপজে'লার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাড়া-মহল্লায় চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দেয়ার অ'প'রাধে সাড়ে ২৪ হাজার টাকা জ'রিমানা করছেন ভ্রাম্যমাণ আ'দালত।

বুধবার (০১ এপ্রিল) দিনে ও রাতে অ'ভিযান চালিয়ে এ জ'রিমানা আদায় করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভ্রাম্যমাণ আ'দালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা লুবনা ফারজানা।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সরকারের নির্দেশনা অমান্য করে বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে রাখা হয়। বিনা কারণে মানুষজন সড়কে ঘোরাঘুরি করতে দেখেন ভ্রাম্যমাণ আ'দালত। বুধবার রাতে শহরের গাছতলা ঘাট, মেঘনা ফেরিঘাট, নদীর পাড়, কাঠপট্টি, ঋষিপট্টিতে অ'ভিযান চালিয়ে আটজনকে সাত হাজার টাকা জ'রিমানা করা হয়।

এর আগে দুপুরে ভৈরব বাজারে মাসুম নামে এক ব্যবসায়ীকে দুই হাজার টাকা, হলুদ পট্টির আরেক ব্যবসায়ী প্রশান্তকে পাঁচ হাজার এবং ভৈরবপুর উত্তপাড়ায় সুজন নামে আরেকজনকে এক হাজার টাকা জ'রিমানা করে ভ্রাম্যমাণ আ'দালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজে'লা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিমাদ্রী খিসা।

পাশাপাশি উপজে'লার কালিকাপ্রসাদে অ'ভিযান চালিয়ে আজিম নামে একজনকে ৫০০ টাকা এবং শ্রীনগর নতুন বাজারে চা দোকানি সোহেলকে তিন হাজার টাকা জ'রিমানা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা লুবনা ফারজানা বলেন, করো'নাভাই'রাসের মহামা'রি থেকে উপজে'লাবাসীকে বাঁ'চাতে আম'রা বার বার সবাইকে সর্তক ও সচেতন হতে বলেছি। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বাসা থেকে বের না হতে বলেছি। একই সঙ্গে সরকারি নির্দেশনা মতে, জনসমাগম নিষিদ্ধ করেছি। হাসপাতাল এবং ওষুধসহ নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া সব ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে বলেছি। কিন্তু বিষয়টি তারা এড়িয়ে চলছেন। এ অবস্থায় সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় এবং সামাজিক দূরত্ব না মেনে চলায় অ'ভিযানে নেমেছে উপজে'লা প্রশাসন। এই অ'ভিযান অব্যাহত থাকবে।

Back to top button