করো'নার কারণে স্থগিত হবে হ'জ? কী' বললেন সৌদি মন্ত্রী

ইস'লামের চতুর্থ স্তম্ভ হ'জের আনুষ্ঠানিকতা এ বছরের জুলাইয়ের শেষে অনুষ্ঠিত হবে। তবে হ'জ পরিকল্পনার জন্য মু'সলিম বিশ্বকে অ'পেক্ষা করতে বলেছে সৌদি আরব। মহামা'রি ‘করো'নাভাই'রাস পরিস্থিতির অবসান না হওয়া’ পর্যন্ত হ'জ পরিকল্পনা বিলম্ব করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে দেশটির সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপরিচালিত টেলিভিশন আল-এখবারিয়ায় এ আহ্বান জানান সৌদির হ'জ ও ওম'রাহ বিষয়ক মন্ত্রী মোহাম্মেদ সালেহ বিনতেন। বুধবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এই তথ্য জানিয়েছে।

করো'নাভাই'রাস যাতে সৌদির পবিত্র শহরগুলোতে (ম'ক্কা-ম'দিনা) ছড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য চলতি মাসের শুরুতে বছরব্যাপী ওম'রাহ স্থগিত করার ঘোষণা দেয় সৌদি। এমনকি সাময়িক সময়ের জন্য কাবা তাওয়াফও বন্ধ করে দেয়া হয়। আর এতেই চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে মু'সলমানদের বার্ষিক এই ধ'র্মীয় ইবাদত।

সপ্তাহব্যাপী চলা ধ'র্মীয় এই ইবাদতে অংশ নিতে বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে ম'ক্কা ও ম'দিনায় জড়ো হন প্রায় ২৫ লাখ মু'সলিম। এটা শুধু সাম'র্থ্যবান মু'সলমানদের জন্য শারীরিক ও আর্থিক ইবাদতই নয়, সৌদির একটি কাৎপর্যপূর্ণ আয়েরও উৎস। চলতি বছরের জুলাইয়ের ২৮ তারিখে হ'জের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। শেষ হবে ২ আগস্ট।

সৌদির হ'জ ও ওম'রাহ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ‘হাজি ও ওম'রাহ পালনকারীদের বরণ করতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত আছে সৌদি। কিন্তু চলমান পরিস্থিতির (মহামা'রি করো'নাভাই'রাস) কারণে আম'রা মু'সলিম ও দেশের নাগরিকদের স্বাস্থ্যের ব্যাপারে যথেষ্ট সচেতন। এজন্য আম'রা বিশ্ব মু'সলিম ভাইবোনদেরকে বলব, করো'না পরিস্থিতির অবসান (ক্লিয়ার) না হওয়া পর্যন্ত হ'জ পরিকল্পনা স্থগিত রাখু'ন।’

করো'নাভাই'রাস সংক্রমণ ঠেকাতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি রাজপরিবার। ওম'রাহ স্থগিতের পাশাপাশি বিদেশি যাত্রী বহনকারী বিমান চলাচল অনির্দিষ্ট'কালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। গত সপ্তাহে ম'ক্কা ও ম'দিনাসহ একাধিক শহরে বাসিন্দাদের প্রবেশ ও বহির্গমন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

এই অবস্থায় সৌদি হ'জ বাতিল করলে তা হবে বর্তমান সময়ের জন্য এক বিরল ঘটনা। তবে এ রকম পরিস্থিতিতে ‘উচ্চ ঝুঁ'কিপূর্ণ অঞ্চল’ থেকে নাগরিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে-এমন উদাহ'রণও রয়েছে। সাম্প্রতিক (২০১৪ সাল) ইবোলা ভাই'রাস প্রাদুর্ভাবের সময় এমন সিদ্ধান্ত নিতে দেখা যায় সৌদি আরবকে।

সর্বশেষ সৌদিতে এ পর্যন্ত দেড় হাজার করো'নাভাই'রাস রোগী শনাক্ত করা গেছে। মা'রা গেছেন ১০ জন। আর বিশ্বজুড়ে প্রা'ণ কেড়েছে ৪২ হাজারের বেশি। এ পর্যন্ত বিশ্বে মোট ৮ লাখ ৬৫ হাজার ব্যক্তি করো'নায় আকান্ত হয়েছেন।

সূত্র : আল-জাজিরা

Back to top button