ভ'য়ংকর পরিণতির দিকে যাচ্ছে পা'কিস্তান

যেখানে বিশ্বের বাকি দেশগুলো চলছে একভাবে। সেখানে পা'কিস্তান যেন তার উল্টো। সংক্রমণ এড়াতে বেশিরভাগ দেশ এখন লগডাউন। বাসার বাহিরে বের হওয়া নিষেধ। বন্ধ খেলাধুলাও। অথচ এই সময় রোগী দেখা ছেড়ে দিয়ে দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানিয়েছে পা'কিস্তানের চিকিৎসকরা। মা-বাবারাও কোয়ারেন্টিন না মেনে সন্তাদের যেতে দিচ্ছেন বাইরে। রাস্তায় রাস্তায় শি'শুরা ক্রিকেট খেলছে। বন্ধ নেই ম'সজিদ। এভাবেই করনোভাই'রাস সংকটে ভ'য়াবহ পরিস্থিতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি।

মা'র্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসর প্রতিবেদনে বলা হয়, পা'কিস্তান নড়বড়ে অর্থনীতির মধ্যে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন করো'নাভাই'রাস। দেশটিতে দ্রুতই ছড়াচ্ছে প্রা'ণঘাতী এ ভাই'রাস। জলাতঙ্ক ও শি'শু-ব্যাধি পোলিও মহামা'রী নিয়ে পা'কিস্তানের সমস্যা শেষই হয়নি। এমন পরিস্থিতিতেও করো'নাভাই'রাসের ভ'য়াবহতা তারা বুঝতে পারছে না। তাই তাদের মা'থাব্যথাও নেই। ২২ কোটি জনসংখ্যার এই দেশ এখন পর্যান্ত বিদ্যুৎ, পানি সরবরাহ ও জনস্বাস্থ্য সেবাও নিশ্চিত করতে পারেনি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, পা'কিস্তানের প্রধানমন্ত্রী করো'নাভাই'রাস মোকাবিলায় যে নির্দেশনা দিয়েছেন, তা উপেক্ষা করছে দেশের জনগণ। মানছেন না বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দেওয়া নির্দেশনাও। বিশেষ করে পা'কিস্তানের আলেম সমাজ এর জন্য দায়ী।

নিউইয়র্ক টাইমস বলছে, যদিও পা'কিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইম'রান খান নিজেও দেশের স্বাস্থ্য বিভাগ ও রাজ্য প্রশাসনের আহ্বান মেনে নিতে চাননি। এমনকি লকডাউনের ঘোষণাও দিতে চাননি।

ইম'রান খান বলেন, ‘লকডাউন দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেবে। আমি বরং আহ্বান জানাব, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ চালিয়ে যাওয়ার। কেন না, এ দেশের মিলস-ফাক্টরিই অর্থনীতির মেরুদ'ণ্ড।’

দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন মন্তব্য পাওয়ার পর ম'সজিদগুলো করো'না বিষয়ক নির্দেশনা প্রত্যাখ্যান করে। কিন্তু করো'না পরিস্থিতি খা'রাপের দিকে যেতে থাকলে অ্যাকশনে নামে ইম'রারেন নির্দেশে। কিন্তু তার আগেই আতঙ্কের কারণে চিকিৎসক ও নার্সরা কাজে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানান।

আলেম সমাজও ক্ষেপে উঠেছেন ইম'রান সরকারের ওপর। প্রধানমন্ত্রী ইম'রান খানের ঘোষণা দেওয়া জুমা'র নামাজ সীমিত করার বিষয়টি মেনে নেননি তারা। তাদের ভাষ্য, ‘আম'রা করো'নাভাই'রাসের কারণে শুক্রবারের নামাজ বাদ দিতে পারি না। জুমা'র দিনে মানুষের সৃষ্টিক'র্তার নিকট ক্ষমা চাওয়া প্রয়োজন। তাই আগের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক মানুষের শুক্রবারের নামাজে অংশ নেওয়া উচিৎ। যাতে সৃষ্টিক'র্তা ম'রণব্যধি থেকে আমাদের রক্ষা করেন।’

পূর্বপশ্চিমবিডি/জেআর

Back to top button