শেরপুরে করো'না ভাই'রাসের প্রভাবে সবজির বাজারে ধস!

সারা'বিশ্ব এখন করো'না ভাই'রাসের থাবায় কাঁপছে। করো'না ভাই'রাস প্রতিদিন প্রা'ণ কেড়ে নিচ্ছে হাজার হাজার মানুষের। সেই প্রা'ণঘাতী করেনা ভাই'রাস ইতোমধ্যে বাংলাদেশেও হানা দিয়েছে। সে থেকে রক্ষা পেতে সাধারন মানুষ জরুরী প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে বের হচ্ছেন না। তাই গত দুই সপ্তাহ ধরে সবজি উৎপাদনে খ্যাত সীমান্তবর্তী শেরপুর জে'লায় করো'না ভাই'রাস আতংকে সবজির বাজারে ধ্বস নেমেছে।

বাজারে মানুষ নেই, দুরপাল্লার গাড়ি চলাচলও বন্ধ থাকায় শেরপুরের সবজি এখন ঢাকা বা অন্য কোনখানে যাচ্ছে না। আর সবজি পচনশীল জিনিস বলে বেশি দিন গাছে বা ঘরে রাখা যায় না। পচনশীল পণ্য হওয়ায় কৃষক কম দামে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষকদের দাবি করো'না ভাই'রাসের প্রভাবেই সবজির বাজারে এমন ধ্বস নেমেছে। উৎপাদিত এলাকার কৃষকের সাথে বলে ও বাজার ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

জে'লার পাইকারি বাজার ঘুরে আরো জানা গেছে, প্রতি কেজি বেগুনের দাম ৩০ টাকা থেকে ৪ টাকা কমে ২৬ টাকায় নেমেছে। শশার কেজি ৫ টাকা, কাঁচা ম'রিচের কেজি ৩৫ টাকা, এক বোঝা ডাটা (৮০টি ডেঙ্গা) ২০ টাকা, গাজরের কেজি ৫ টাকা এবং টমেটো ৪ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। নতুন সবজি সজনার কেজি ৭০ টাকা। করলা প্রতি কেজি ২০ টাকা। তবে খুচরা বাজারে এসব সবজির দাম আরো একটু বেশী। এসময় নতুন কিছু সবজি এলেও কৃষকরা সেসব সবজির দাম পাচ্ছেন না। অথচ গ্রীস্মকালিন এসময় নতুন সবজি বিক্রি করে চাষিরা বেশ একটু লাভের মুখ দেখেন। এখন সবজি বিক্রি করে উৎপাদন খরচ তো উঠছেই না আরোও লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

শেরপুর সদর উপজে'লার চরাঞ্চলের কৃষক তাজউদ্দিন, আব্দুল মালেক, ইয়াদ আলী জানিয়েছেন, লোকসানে সবজি বিক্রি করে চোঁখে পথ দেখছেন না তারা। এই অবস্থা চলতে থাকলে আগামী দিনে সবজির দাম আরও কমে যেতে পারে বলে চাষীদের ধারনা। আর তখন চাষীদের সন্তানাদি নিয়ে খেয়ে না খেয়ে থাকতে হবে। এই অবস্থায় চাষীদের সরকারি সহযোগীতা করা হোক এমন দাবী করেছেন সবজি উৎপাদনের সাথে জ'ড়িতরা। কৃষকদের দাবী সরকারি ব্যবস্থাপনায় এসব সবজি ঢাকাসহ সারাদেশে সরবরাহ করার ব্যবস্থা করা হোক।

কৃষকের উৎপাদিত সবজির দাম অনেকটা কমে গেছে বলে স্বীকার করে শেরপুরের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচলক ড. মোহিত কুমা'র দে সাংবাদিদের বলেন, ক্ষতিগ্রস্থ্য কৃষকদের প্রণোদনা দিতে সরকারকে জানানো হবে। বর্তমান সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। তাই এই মহাদূর্যোগের সময় অবশ্যই সরকার কৃষদের পাশে দাড়াবে বলে আম'রা আশা করি।

Back to top button