করো'না রোগীর মতোই দাফন করা হলো সেই যুবককে

টাঙ্গাইলের মধুপুরে জ্বর ও সর্দি কাঁশিতে আ'ক্রান্ত হয়ে মৃ'ত্যুবরণকারী হবিবুর রহমান হবির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ মা'র্চ) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে মহিষমা'রা ইউনিয়নের টেক্কার বাজার কবরস্থানে করো'না রোগীর মতোই তার দাফন সম্পন্ন হয়। তার দাফন সম্পন্ন করেন পাঁচ সদস্যের একটি টিম।

উপজে'লা ম'সজিদের পেশ ই'মাম মা'ওলানা ছানোয়ার হোসেন মৃ'ত হবিরের জানাজা নামাজ পড়ান। এসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মধুপুর উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা আরিফা জহুরা, ওসি তারিক কামাল ও উপজে'লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক'র্তা ডাক্তার রুবিনা।

এ বিষয়ে মধুপুর উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা আরিফা জহুরা জানান, করো'নাভাই'রাসে মা'রা যাওয়া রোগীর মতই হবিবুর রহমান হবির দাফন সম্পন্ন করা হয়েছে। উপজে'লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক'র্তা ডাক্তার রুবিনা মা'রা যাওয়া ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করেছেন। যা পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে পাঠানো হবে। রিপোর্ট হাতে পেলে জানা যাবে তিনি করো'নাভাই'রাসে আ'ক্রান্ত ছিল কি-না।

তিনি আরও জানান, নি'হত হবির বাড়ি লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। তার মা-বাবাসহ ওই বাড়িতে পাঁচজন সদস্য রয়েছে। এদিকে করো'নাভাই'রাসে হবি মা'রা গেছে মনে করে ওই এলাকাসহ পুরো মধুপুরে আতঙ্ক বিরাজ করছে। বাইরে কমে গেছে মানুষের চলাফেরা।

প্রসঙ্গত প্রকাশ, উপজে'লার মহিষমা'রা ইউনিয়নের টেক্কার বাজার গ্রামের হাসেন আলীর ছে'লে হবিবুর রহমান হবি গেলো রোববার ঢাকা থেকে বাড়িতে এসেছিলেন। হবি জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে বাড়িতে আসেন। বিষয়টি তার পরিবারের লোকজন গো'পন রাখে।

পরদিন সোমবার থেকে তার পাতলা পায়খানা শুরু হয়। মঙ্গলবার র'ক্ত বমি করা অবস্থায় তার মৃ'ত্যু হয়। দুপুরে তার মৃ'ত্যুর পরই এলাকায় ‘করো'নায় আ'ক্রান্ত’ হয়ে মা'রা গেছে বলে খবর ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের বাড়ির লোকজনও দূরে সরে যায়। খবর পেয়ে মধুপুর উপজে'লা নির্বাহী কর্মক'র্তা আরিফা জহুরা, ওসি তারিক কামাল ও উপজে'লা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মক'র্তা ডাক্তার রুবিনা ঘটনাস্থলে পৌঁছেন।

Back to top button