এই মুহূর্তে ক’রো’নার স’র্বোচ্চ ঝুঁ’কিতে বাংলাদেশের যে জে’লা

কা’রোনাভাই’রাস সং’ক্রমণের ক্ষেত্রে বন্দর নগর চট্টগ্রাম জে’লা এই মুহূর্তে সর্বোচ্চ বেশি ঝুঁ’কিতে আছে বলে জানিয়েছেন জে’লা সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বী মিয়া।

তিনি বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম জে’লা এই মুহূর্তে স’র্বোচ্চ ঝুঁ’কিতে আছে।

কারণ আমাদের দুটি বন্দর, একটি বিমানবন্দর ও অ’পরটি সমুদ্র বন্দর। দু’টি বন্দর দিয়েই সং’ক্রমণের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই এন্ট্রি পয়েন্টেই যদি সং’ক্রমণকারীকে ঠেকিয়ে দেয়া না যায়, তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যাবে না।’ ইতালিফেরত প্রবাসীদের কারণে চট্টগ্রামে ঝুঁ’কির পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সোমবার (১৬ মা’র্চ) বিকেল ৪টায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয়ে ‌‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২০’ উপলক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ সব কথা বলেন।সিভিল সার্জন তিনি বলেন, ‘আমাদের শাহ আমানত বিমানবন্দরে ইতিমধ্যেই থা’র্মাল স্ক্যানার বসানো হয়েছে। এছাড়া সমুদ্রবন্দরে হ্যান্ড থা’র্মাল স্ক্যানারের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ক’রোনাদু’র্গত এলাকার মধ্যে ইতালি থেকেই সবচেয়ে বেশি প্রবাসীরা ফিরছেন।

সাধারণত একজন ক’রোনা আ’ক্রান্তরো,গীর উপসর্গ দেখা দিতে ২ থেকে ১৪ দিন সময় লাগে। তাই বিমানবন্দরে স্ক্রি’নিংয়ে ক’রোনায় সং’ক্রমিত ব্যক্তি বেরিয়েও যেতে পারে। এ সব কারণে আম’রা বিমানবন্দর থেকে প্রতি মুহূর্তে আপডেট তথ্য নিচ্ছি এবং প্রবাসীদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’

ফজলে রাব্বী মিয়া, ‘এছাড়া ক’রোনাদু’র্গত এলাকা থেকে আগত প্রবাসীদের কারও যদি শ`রীরে তাপমাত্রা বেশি পাওয়া যায় তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই বিমানবন্দর থেকে তাকে হা*সপা*তালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়ে সিভিল সার্জন বলেন, ‘চট্টগ্রামের হোম কোয়ারেন্টাইন তদারকিতে একটি শক্তিশালী কমিটি কাজ করছে। এতে জে’লা প্রশাসক, স্বাস্থ্য বিভাগ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও আছে। বিমানবন্দর থেকে প্রবাসফেরত যাত্রীদের তালিকা স্থানীয় প্রশা*সন ও ডিজিএফআইকে সরবরাহ করা হচ্ছে। তারাই হোম কোয়ারেন্টাইনের বিষয়টি তদারকি করছেন।

তিনি বলেন, ‘হোম কোয়ারেন্টাইনের ক্ষেত্রে পরিবারকে বেশি সচেতন হতে হবে। প্রবাস থেকে আগত সদস্যকে একটি আলাদা ঘরে ১৪ দিনে জন্য আলাদা করে রাখতে হবে। বাড়ির পাশের মানুষদের বলব, আপনারা প্রবাসীদের শ’ত্রু ভাববেন না। তারা তো দেশের জন্যই অর্থ উপার্জন করেন। তারা মূলত, একটি বৈশ্বিক পরিস্থিতির শিকার। তাই তাদের সর্বাত্মকভাবে সহযোগিতা করুন। প্রয়োজনে তাদের পরিবারের সদস্যদের বাজার-সদাই করে দিন। এ ক্ষেত্রে যোগাযোগ হবে অবশ্যই মোবাইলে। কোনোভাবেই যেন তারা রেসিজমের (বর্ণবাদ) শিকার না হন।’

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টার পরিস্থিতি তুলে ধরে শেখ ফজলে রাব্বী মিয়া বলেন, ‘গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮ টা পর্যন্ত ৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া এর আগে চট্টগ্রামে হোম কোয়ারেন্টাইনে ছিল ২১ জন। কোনো প্রবাসী যদি হোম কোয়ারেন্টাইন না মানেন তবে তাকে হা*সপা*তালে ভর্তি করা হবে।’চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স’ন্দেহ’ভাজন ৬ শিক্ষার্থী করোনামুক্ত জানিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, ‘সেই ৬ যুবক ক’রোনাভাই’রাসমু’ক্ত। আম’রা পরীক্ষা করে কোনো আলামত পাইনি। তাদের মধ্যে ইতালিফেরত যুবক ছাড়া অন্য ৫ জনকে ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। আর ইতালি থেকে আসা যুবকের ১৩ দিন অ’তিবাহিত হওয়ায় তাকে ১ দিন কোয়ারেন্টাইনে থাকা লাগবে।

Back to top button