হোম কোয়ারেন্টাইনে রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত স*ন্দেহে হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কেএম তারিকুল ইস'লাম। এছাড়াও পীরগাছা উপজে'লার স্থানীয় আরও এক যুবককে বাড়িতে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে।

এ নিয়ে গত ৭ দিনে রংপুর জে'লায় ৬ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এরমধ্যে কাউনিয়া উপজে'লায় ৩ জন ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের কেল্লাবন্দ এলাকায় একজন। জে'লা সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমা'র রায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১ মা'র্চ রাতে সরকারি সফরে আমেরিকায় যান রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কেএম তারিকুল ইস'লাম। গত সোমবার (১৬ মা'র্চ) ভোরে তিনি দেশে ফেরেন। এরপর রংপুর পৌঁছে সার্কিট হাউজের একটি কক্ষে অবস্থান নেন।

পীরগাছা উপজে'লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সানোয়ার বলেন, সোমবার দুপুরে অ'সুস্থ ওই যুবক তীব্র জ্বর অনুভব করলে স্থানীয় এক পল্লী চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক কোনো কিছু না বুঝে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে বলে পরিবারের লোকজনকে জানান।

উপজে'লা স্বাস্থ্য কেন্দ্রের লোকজন খবর পেয়ে তাকে বাড়ি থেকে উ'দ্ধার করে রাতেই উপজে'লা আইসোলেশন সেন্টারে ভর্তি করান। তার শরীরে প্রথম দিকে তীব্র জ্বর থাকলেও মঙ্গলবার তার শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক ছিল। ১৪ দিন হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার পরাম'র্শ দিয়ে আইসোলেশন সেন্টার থেকে তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।

রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক আমিন আহমেদ খান জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত রংপুর বিভাগের ৬ জে'লার ৬৮ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইন করা হয়েছে। এর মধ্যে রংপুর বিভাগীয় কমিশনার কে এম তারিকুল ইস'লাম রয়েছেন। তিনি আছেন রংপুর সার্কিট হাউজে।

রংপুরের জে'লা প্রশাসক আসিব আহসান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একজন সরকারি উচ্চ পদস্থ কর্মক'র্তা হয়েও তিনি (বিভাগীয় কমিশনার) হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন। এটা সকলের জন্য সচেতনতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিভাগীয় কমিশনারের মতো সকলকেই এভাবে সচেতনতা অবলম্বনের আহবান জানান জে'লা প্রশাসক।

এ বিষয়ে বিভাগীয় কমিশনার কেএম তারিকুল ইস'লাম বলেন, যেহেতু সরকারি নির্দেশনা আছে তাই কোয়ারেন্টাইনে অবস্থান করছি।

Back to top button