বিরোধে কে'টে ফেলা হলো ১৬ হাজার গাছ!

পঞ্চগড় জে'লার তেঁতুলিয়া উপজে'লার দর্জিপাড়া এলাকায় পাঁচ বিঘা জমির ১৬ হাজার চা, আম ও সুপারির গাছ প্রতিপক্ষ কে'টে ফেলেছে বলে অ'ভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর ইউএনবি’র।

একদল দুর্বৃত্ত বাগানে ঢুকে রবিবার দিবাগত রাতে গাছগুলো কে'টে মাটিতে ফেলে এবং বাগানের কেয়ারটেকারের ঘরে আ'গুন লাগিয়ে দিয়ে তারা পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে তেঁতুলিয়ার দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে আ'গুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ভুক্তভোগীর অ'ভিযোগ, তার প্রায় ২০-২৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তেঁতুলিয়া উপজে'লা সদরের কলোনীপাড়া এলাকার অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক মো. মনিরুজ্জামান ওম'রের অ'ভিযোগ, ২০১১ সালে দর্জিপাড়া মৌজায় পাঁচ বিঘা জমি ক্রয় করেন তিনি। জমিটিতে গত ৬-১৬ মাস ধরে চা, আম, তেজপাতা ও সুপারি বাগান গড়ে তোলেন। এরপর থেকে পার্শ্ববর্তী কানকা'টা গ্রামের সাহেব আলী জমিটি নিজের বলে দাবি করেন। কিন্তু যেই দলিলমূলে তিনি জমিটি দাবি করছেন, ইতোমধ্যে ওই দলিলটি জাল বলে প্রমাণিত হয়েছে।

তেঁতুলিয়া থা*নার পরিদর্শক (ত'দন্ত) আবু সাঈদ চৌধুরী ও সদর মহফেজখানার রেকর্ড অফিসার সাহেব আলীর দলিলটির কোনো মিল পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদন দিয়েছেন।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে সাহেব আলীর নেতৃত্বে উক্ত চা বাগানের গাছ কা'টার সময় ভাড়াটিয়া ইউসুফ আলীকে ধরে থা*নায় সোপর্দ করে এবং সায়েদ আলীসহ পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অ'জ্ঞাতনামা ১৫-১৬ জনের নামে তেঁতুলিয়া থা*নায় মা'মলা দায়ের করেন মো. মনিরুজ্জামান ওম'র।

এই মা'মলায় গত রবিবার আ'দালত থেকে জামিন নিয়ে এসে গভীর রাতে সাহেব আলীর নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন ভাড়াটিয়া স'ন্ত্রাসীসহ বাগানে প্রবেশ করে এবং কেয়ারটেকার আব্দুল্লাহকে বেঁধে রেখে বাগানের সব গাছ কে'টে দেয় এবং ঘরে আ'গুন লাগিয়ে দেয়।

ফায়ার সার্ভিস ও তেঁতুলিয়া থা*নার পু'লিশ ঘটনাস্থলে গেলে দু*র্বৃত্ত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় থা*নায় মা'মলা দায়ের করতে গেলে তেঁতুলিয়া থা*নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক'র্তা মো. জহুরুল ইস'লাম মা'মলা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আ'দালতে মা'মলা দায়েরের পরাম'র্শ দেন।

তেঁতুলিয়া মডেল থা*নার ভারপ্রাপ্ত কর্মক'র্তা (ওসি) জহুরুল ইস'লাম বলেন, গাছ কে'টে ফেলার বিষয়টি শুনেছি। তবে ত'দন্ত না করে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

Back to top button