চোখের সামনে গলায় ফাঁ'স দিলেও স্ত্রী'কে বাঁ'চালেন না স্বামী

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজে'লায় চোখের সামনে গলায় ফাঁ'স দিলেও স্ত্রী'কে বাঁ'চাতে এগিয়ে আসেননি স্বামী। সেই সঙ্গে স্ত্রী'কে আত্মহ'ত্যার প্র'রোচনা দেয়ার অ'ভিযোগে স্বামী ফয়সাল হোসানইনকে গ্রে'ফতার করেছে পু'লিশ।

সোমবার (১৬ মা'র্চ) রাতে শ্বশুরবাড়িতে স্বামীর সামনে ফাঁ'সিতে ঝুলে আত্মহ'ত্যা করেন গৃহবধূ নুরুন্নাহার ব'ন্যা (২৭)। মঙ্গলবার সকালে তার ম'রদেহ উ'দ্ধার করে ময়নাত'দন্তের জন্য ম'র্গে পাঠায় পু'লিশ।

গ্রে'ফতার ফয়সাল হোসাইন (৩২) উপজে'লার বিরাজপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। নি'হত ব'ন্যা মানিকগঞ্জ সরকারি দেবেন্দ্র কলেজের মাস্টার্সের ছাত্রী ছিলেন।

পু'লিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, ঘিওর উপজে'লার শ্রীবাড়ি গ্রামের সামছুল হকের মেয়ে নুরুন্নাহার ব'ন্যাকে প্রায় ১০ বছর আগে ভালোবেসে বিয়ে করেন ফয়সাল। তাদের ঘরে দুটি কন্যাসন্তান রয়েছে। বিয়ের কয়েক বছর না যেতেই দাম্পত্য ক*লহ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে একাধিকবার পারিবারিকভাবে শালিস বৈঠক হয়। দাম্পত্য ক*লহের কারণে সোমবার রাতে শ্বশুরবাড়ির নিজগৃহে ফয়সালের সামনে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহ'ত্যা করেন ব'ন্যা। পরে স্বামী ও শাশুড়ি ব'ন্যাকে শিবালয় উপজে'লা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে মৃ'ত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

ব'ন্যার বাবা সামছুল হক বলেন, বিয়ের পর থেকে আমা'র মেয়েকে শারীরিক ও মানুসিকভাবে নি'র্যাতন করত ফয়সাল ও তার পরিবারের সদস্যরা। কয়েকদিন আগে ব'ন্যা তাদের অ'ত্যাচারে অ'তিষ্ঠ হয়ে বাড়িতে চলে আসে। গত শুক্রবার মেয়েকে নিতে এসে সবার সামনে মা'রধর করে ফয়সাল। পরে উভয়কে বুঝিয়ে ব'ন্যাকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো হয়।

তিনি অ'ভিযোগ করেন, ফয়সাল ও তার পরিবারের সদস্যদের অ'ত্যাচার ও প্র'রোচনায় আমা'র মেয়ে আত্মহ'ত্যা করতে বাধ্য হয়েছে। একই ঘরে থাকলেও তাকে বাঁ'চাতে এগিয়ে আসেনি ফয়সাল।

শিবালয় থা*না পু'লিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মক'র্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় গৃহবধূর বাবা বাদী হয়ে আত্মহ'ত্যা প্র'রোচনার অ'ভিযোগে মা'মলা করেছেন। পরে ব'ন্যার স্বামী ফয়সালকে গ্রে'ফতার করা হয়। সেই সঙ্গে ম'রদেহ উ'দ্ধার করে ময়নাত'দন্তের জন্য ম'র্গে পাঠানো হয়েছে।

Back to top button