.

জামাল ভুঁইয়ার জার্সি নিয়ে দর্শক-পু'লিশের কাড়াকাড়ি

চট্টগ্রাম আবাহনীকে হা*রিয়ে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপ ফুটবলের শিরোপা জিতেছে মালয়েশিয়ার ক্লাব তেরেঙ্গানু। গতকাল বৃহস্পতিবারের এই ল'ড়াই দেখতে ৩৫ হাজারের বেশি দর্শক এসেছিলেন এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে। যা মনে করিয়ে দেয় আশির দশকের ফুটবলের কথা। চট্টগ্রাম আবাহনী ২-১ গোলে হেরে গেলেও তাদের কোনো দুঃখ ছিল না। বরং দেশের সেরা তারকা জামাল ভুঁইয়া আর তার জার্সি নিয়ে দর্শকদের উচ্ছাস ছিল চোখে পড়ার মতো।

সম্প্রতি ক্রিকটের মতো দেশের ফুটবলেও জাগরণের সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। এর কেন্দ্রে আছেন জামাল ভুঁইয়া। ম্যাচ শেষে হালের ফুটবল ক্রেজ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভুঁইয়া ভক্তদের ভক্তদের সঙ্গে কয়েক মিনিট সময় কা'টান। মূলতঃ ভক্তদের ভালোবাসার প্রতিদান দিতেই তার এই উদ্যোগ। নিজের কয়েকটি জার্সিও উপহার দিয়েছেন ভক্তদের। সেই জার্সি নিয়েই শুরু হয় কাড়াকাড়ি। সেই কাড়াকাড়ির মাঝে সামিল হন সাধারণ দর্শক থেকে ফুটবল কর্মক'র্তা এমনকী' নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পু'লিশও!

‘জামাল’ ‘জামাল’ চি'ৎকারের মাঝে ড্রেসিংরুম থেকে জার্সি আনিয়ে নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। এক জার্সিতে তো আর মন ভরে না। এগিয়ে আসেন রতকোভিচ লুকা। এরপর আরও দুটি জার্সি আনিয়ে গ্যালারিতে ছুড়ে দেন জামাল। সেই জার্সি নিয়ে চলে কাড়াকাড়ি। ১০ মিনিট কাড়াকাড়ি-মা'রামা'রি আর ঝগড়ার পর অবশেষে দুটি জার্সি নিয়ে টস করা হয়। এভাবেই ভাগ্যবান মালিক হাতে পেয়ে যান জার্সি।

মজার ব্যাপার হলো, জামালের ছুড়ে দেওয়া তিন নম্বর জার্সিটি পেয়ে যান নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পু'লিশ সদস্য। তার সঙ্গে ঝগড়া লেগে যায় এক ফুটবল কর্মক'র্তার। অনেকক্ষণ কথা কা'টাকাটি আর জার্সি নিয়ে টানাটানি ধস্তাধস্তি চলে দুজনের। কিন্তু সেই পু'লিশ সদস্য টস তো দূরের কথা, জার্সি ছাড়তেই নারাজ। রীতিমতো বাকী' দাবিদারদের লাথি-ঘুষি-ধাক্কা মে'রে সরিয়ে দেন। পু'লিশ বলে কথা… তাই ব্যাপারটি অমীমাংসিতই থেকে যায়। জার্সির মালিক হন সেই পু'লিশ।

Back to top button