আল্লাহকে খুশি করার জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে পতিতা পল্লী উঠিয়ে দিয়েছিলাম : শামীম ওসমান

নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেছেন, টানবাজার নিষিদ্ধ পল্লী (পতিতা পল্লী) উঠিয়ে দিয়েছিলাম নারায়ণগঞ্জ থেকে আল্লাহকে খুশি করার জন্য।

ইচ্ছা ছিল একটি সর্ববৃহৎ ঈদের জামাত করবো। গতবার করেছিলাম তড়িঘড়ি করে ত্রুটিও ছিলো। এইবার স্টিল স্ট্রাকচারে প্যান্ডেল ঈদগাহ থেকে আরম্ভ করে মেইনরোড, এই যে এইখান থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত এতো বড় করা হয়েছে যা বাংলাদেশের কোথাও আজ পর্যন্ত হয়নি। এই প্রথম এটা হলো।

বুধবার সকাল ৮টায় নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দান এবং এ কে এম সামছুজ্জোহা স্টেডিয়ামে আয়োজিত ঈদুল ফিতরের জামাতের আগে তিনি এই কথা বলেন।

শামীম ওসমান বলেন, আমরা চেষ্টা করেছি একটি সুন্দর ঈদের জামাত করতে। অনেকেই আছেন এখানে যারা কষ্ট করেছে। তানভীর আহম্মেদ টিটু আছে, এদের আরেকটি কোম্পানি আছে। বলা হয়েছিল আজ ঈদ হবে না! কিন্ত রাত সাড়ে এগারটার পরে আবার আমরা জনতে পারি যে, ঈদ হবে।

লেবারগুলো (শ্রমিক’রা) চলে গিয়েছিলো কিন্তু আমাদের দলের ছেলেরা, এলাকার স্থানীয় ছেলেরা সবাই মিলে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে আপনারা যাতে সুন্দর করে ঈদটা করতে পারেন। এই আয়োজনটা যাতে হয়।

এর পরও যদি কোন ত্রুটি থাকে, আমি জানি আরো ভালো হতো আরো সুন্দর হতো। আরো আরামদায়ক হতো সেটার যদি কোনো ভুল হয়ে থাকে আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, এই ঈদের জামাত কোনো রাজনৈতিক ফায়দা নেয়ার জন্য নয় এটা একমাত্র আল্লাহকে খুশি করার জন্য আল্লাহ সাক্ষী। এই আয়োজনে আপনারা যদি খুশি হন তাহলে তো আল্লাহও খুশি হবেন।

তিনি বলেন, আরো বড় করে করবো একটা সময় হয়তো বাংলাদেশে সর্ববৃহত এইটা হবে। এবং সেটা যদি হয় তাই হবে।

তিনি জানান, এই জামাতটি আয়োজনে সদকায়ে জারিয়া হিসেবে অনুদান দিয়েছেন, নারায়ণগঞ্জ ৫ আসনের সংসদ ও তার ভাই সেলিম ওসমান, নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা মায়ের নামে সদগায়ে জারিয়া হিসেবে অনুদান দিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ, জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, অনুদান দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কর্মাস, ফকির গ্রুপের মালিক অকতার সাহেব, মনির হোসেনসহ অনেকে।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাবিব মিয়া, নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক তানভীর আহম্মেদ টিটু, পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকনসহ র‌্যাব ও পুলিশের ঊধ্বতন কর্মকর্তারা।