স্বপ্নদোষ হলে কি কি খাবার বেশি খাওয়া প্রয়োজন।

নাইটফল বা স্বপ্নদোষ একেবারেই স্বাভবিক এবং শারীরবৃত্তীয় কারণে সংগঠিত একটি প্রক্রিয়া। যে কোন ছেলের ক্ষেত্রেই এটি ঘটতে পারে। এতে ভীতির কোনো কারন নেই। তবে নাইটফল হলে অনেকেই শারীরিক ভাবে দুর্বল বা রোগা হয়ে পড়েন কারও কারও আবার মাথা ঝিম ঝিম করে। এই সকল সমস্যা সমাধানের এক মাত্র সমাধান হল পুষ্টিকর খাবার গ্রহন। এমন কিছু সুপার ফুড আছে যা নাইট ফল হওয়ার পর খেলে শরীর খুব দ্রুত শক্তিশালি এবং কর্মঠ হয়ে উঠে। সেই সব খাবার গুলি সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানানোর জন্যই আজকের এই পোস্ট টি করা হয়েছে। আসুন তাহলে এবার দেখে নেই।

ডিম:- থমেই যে খাবার টির কথা বলব তা হল ডিম। ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন বা আমিষ থাকে যা যা শরীরের হরমোনের কার্যক্রম ঠিক রাখে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে। তাই ডিম খেলে নাইট ফলের ক্ষতি পুশিয়ে শরীরকে দ্রুত কর্মশক্তির যোগান দেয়।
দুধ এবং দুগ্ধজাত খাবার:- খাঁটি দুধ, দই, মাখন, পনির ইত্যাদি খাবারে প্রচুর পরিমাণে প্রাণিজ-ফ্যাট এবং আমিষ থাকে যা নাইট ফল হওয়ার পর খেলে শরীর আগের মতই কর্ম চঞ্চল হয়ে উঠে। তাছাড়া এই সব খাবেরে থাকা প্রচুর প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম শরীরের গঠন ভালো রাখে এবং হাড়ের ক্ষয় রোধ করে।

পাকা কলা:- পাকা কলাতে থাকা ভিটামিন বি ও পটাশিয়াম মানবদেহের যৌনরস উৎপাদন এবং শরীরের টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়াও কলাতে বোমেনাইল নামের এক ধরণের বিশেষ এঞ্জাইম আছে যা যৌন উদ্দিপক হরমোন গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
বাদাম ও বিভিন্ন বীজ জাতীয় খাবার:- বাদাম এবং অন্যান্য বীজ জাতীয় খাবার বিশেষ করে চিনা বাদাম, কুমড়োর বীজ, সূর্যমূখীর বীজ, শিমের বিচি ইত্যাদি খাবার গুলিতে শরীরের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় মনোআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং জিঙ্ক থাকে যা শরীর কে শক্তিশালী করে এবং যৌন সামর্থ্য বাড়ায়।
ডার্ক চকোলেট:- ডার্ক চকোলেট স্পার্মের পরিমাণ বাড়ায় এবং গুনাগুণ বৃদ্ধি করে। ডার্ক চকোলেটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা যৌন উদ্দিপনা বৃদ্ধি করতে ভুমিকা রাখে।

পরিশেষে বলব, আমাদের হাতের কাছেই এই খাবার গুলি রয়েছে, পুষ্টিগুণে ভরপুর থকায় এই খাবার গুলি শারীরিক দুর্বলতাকে হটিয়ে শরীরকে দ্রুত কর্মশক্তির যোগান দিতে সক্ষম। তাই আপনার খাদ্য তালিকায় এই খাবার গুলি রাখুন এবং সুস্থ সুন্দর যৌন জীবন গড়ে তুলুন।
আরেকটি কথা মনে রাখবেন, যেহেতু স্বাভাবিক নিয়মিত স্বপ্নদোষ কোন সমস্যা নয়, তাই এর কোন চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে বিষয়টি যদি সত্যিই মাত্রাতিরিক্ত হয় তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।