ভাইয়ের দিকে ছোড়া বল্লমের সামনে ঝাঁপ দিয়ে প্রা'ণ দিল বোন

সাহেদ আলী ও লাল মিয়া দুই ভাই। পৈতৃক জমি নিয়ে দুই ভাইয়ের বিরোধ অনেক দিনের। সালিসের সিদ্ধান্ত সাহেদের পক্ষে গেলেও লাল মিয়া তা নাকচ করেন। সর্বশেষ লাল মিয়ার ছে'লেরা বরং হা'মলা চালায় সাহেদের ছে'লেদের ওপর। লাল মিয়ার ছে'লের ছোড়া বল্লম ভাইয়ের দিকে আসতে দেখে সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে সাহেদের মে'য়ে স্কুলছা'ত্রী ইতি আক্তার সেলিনা (১৭)। ভাইকে বাঁ'চাতে পারলেও নিজের জীবনের ইতি ঘটে ইতির। গতকাল শনিবার ভোরে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজে'লার রাজগাতী ইউনিয়নের বনাটি বাজুপাড়া গ্রামে ঘটেছে এ ম'র্মা'ন্তিক ঘটনা।

ইতি গত বছর কাশিনগর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছিল। পাস করতে না পারায় আগামীবারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

নি'হতের পরিবারের অ'ভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পু'লিশ লাল মিয়ার স্ত্রী' জামেনা, মে'য়ে নাজমা ও ভাই চান মিয়াকে আ'ট'ক করে থা'নায় নিয়ে যায়। দেশীয় অ'স্ত্রও উ'দ্ধার করে পু'লিশ। তবে বাকি অ'ভিযু'ক্তরা ঘটনার পর পলাতক। পু'লিশ নি'হতের ম'রদেহ উ'দ্ধার করে ময়নাত'দন্তের জন্য কি'শোরগঞ্জের আধুনিক সদর হাসপাতাল ম'র্গে পাঠিয়েছে।

গতকাল ইতিদের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বাড়ির আঙিনায় ম'রদেহ পড়ে আছে। পু'লিশ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করছে। মা, বাবা, অন্য বোনেরা আহাজারি করছিলেন। বাবা সাহেদ পাগলের মতো বলছেন, ‘রিপন আমা'র ছেড়িডারে বল্লম দিয়া ঘা দিয়া মা'রছে। হেরেও একটা ঘা দেইন।’ মা শিরিন আক্তারও ম'রদেহের সামনে আছড়ে পড়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছিলেন। প্রতিবেশীরা জানায়, ইতি ভাই শহিদকে বাঁ'চাতে বল্লমের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। বল্লমটি তার গলায় গেঁথে যায়। হাসপাতা'লে নেওয়ার পথে ইতি মা'রা যায়। সূত্র: কালের কন্ঠ

Back to top button