র'হস্যময় এক আ'গুন থেকেই র'ক্তক্ষয়ী সং'ঘর্ষ বাঁধে ভা'রত এবং চিনের বাহিনীর মধ্যে

চলতি মাসের গত ১৫ তারিখ র'ক্তক্ষয়ী সং'ঘর্ষের ঘটনা ঘটে ভা'রত-চিন সীমান্তে। চারদশকের মধ্যে প্রথমবার ভা'রত-চিন সংঘাতে ভা'রতের দিকে ২০ জন সে'নাকে শহিদ হতে হল। যদিও পালটা চিনের দিকে ৪০ এরও বেশি সে'না খতম হয়েছে বলে সূত্রে খবর। সরকারিভাবে যদিও এখনও পর্যন্ত চিনের কতজন সে'নার মৃ'ত্যু হয়েছে সেই বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।

তবে এই ঘটনার পর থেকেই সীমান্তে আরও উত্তে'জনা চড়েছে। দফায় দফায় চলছে আলোচনা। কিন্তু গানওয়াল থেকে সে'না সরাচ্ছে না বেজিং। আর এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আনলেন প্রাক্তন সে'না প্রধান ও কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ প্রতিমন্ত্রী ভিকে সিংহ।

তিনি জানিয়েছেন, গত ১৫ তারিখ রাতে লাদাখের গালওয়ানে চিনা তাঁবুতে হঠাৎ আ'গুন লেগে যায়। এরপরই মা'রামা'রি শুরু হয় ভা'রতীয় ও চিনা সে'নাদের মধ্যে। একই সঙ্গে তিনি আরও জানিয়েছেন যে, এলএসিতে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার কয়রা যায় না। তেমনটাই চুক্তি রয়েছে।

আর সেই কারণে ভা'রত এবং চিনের সে'নাবাহিনীর লড়াই হয়েছিল খালি হাতে এবং পেরেক পোঁতা লা'ঠি, পাথর দিয়ে। এমনটাই জানিয়েছেন প্রাক্তন সে'না প্রধান। যদিও চিন সীমান্তে কি ধরণের অ'স্ত্র ব্যবহার করেছিল সেই ছবি ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা'র গুরুত্বপূর্ণ এই মন্ত্রী বলেছেন, ভা'রত-চিনের লেফটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ে আলোচনা চলাকালীন ঠিক হয়েছিল, কোনও পক্ষের সে'নাকর্মীই সীমান্তের কাছাকাছি থাকতে পারবেন না। কিন্তু ঘটনার রাতে ভা'রতের কম্যান্ডিং অফিসার যখন সীমান্ত পরিদর্শনে যান, তিনি দেখেন, চিনা সে'না তখনও এলাকা ছাড়েনি। বরং একটা তাঁবু খাড়া করেছে। তিনি তাদের তাঁবু সরাতে বলেন, তারা সরাচ্ছিলও, তখনই হঠাৎ তাতে আ'গুন লেগে যায়। এরপরই শুরু হয় দু’পক্ষের সং'ঘর্ষ। দুপক্ষের র'ক্তক্ষয়ী ল'ড়াইয়এ ৪০ জনেরও বেশি চিনা সে'নার সে রাতে মৃ'ত্যু হয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, ভা'রত-চিন সীমান্তে শহিদ হয়েছেন ২০ জওয়ান। কী' এমন ঘটেছিল সেদিন মধ্যরাতে? কেন এভাবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শহিদ হলে একের পর এক ভা'রতীয় জওয়ান। একজন আর্মি অফিসারকেও কেন প্রা'ণ দিতে হল?

সংবাদসংস্থার হাতে উঠে আসে সেদিন রাতের বিস্তারিত রিপোর্ট। কী'ভাবে জওয়ানদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কর্নেল সন্তোষ বাবু। আ'হত হয়েও কী'ভাবে ঠাণ্ডা মা'থায় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন? উঠে এসেছে সেই রিপোর্ট। সেই রিপোর্টেও চিনের তাবুতে আ'গুন ধরিয়ে দেওয়ার ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে এরপর একাধিকবার কুটনৈতিক স্তরে আলোচনা হয়েছে চিনের সঙ্গে। সে'নাবাহিনীর তরফেও সীমান্তে আলোচনা হয়েছে। বারবার গানওয়াল থেকে সে'না সরিয়ে নেওয়ার কথা বলা হলেও, এখনও পর্যন্ত তেমনটা কিছুই করা হয়নি। উলটে পাকা সে'নাঘাঁটি তৈরি করা হচ্ছে। আ'ট'কে দেওয়া হচ্ছে জল। যা নতুন করে উত্তে'জনা ছড়াচ্ছে বলে মনে করছেন সাম'রিক বিশেষংরা।

এই পরিস্থিতিতে আগামিকাল মঙ্গলবার ফের একবার বৈঠক হবে। ৩০শে জুন ফের একবার বৈঠকে বসতে চলেছে নয়াদিল্লি-বেজিং। ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদনের সূত্রে জানা গিয়েছে লাদাখ নিয়ে আরও একবার মুখোমুখি হতে চলেছে দুই দেশ। কমান্ডার পর্যায়ে এই বৈঠক হবে। তাতে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় সেটাই এখন দেখার।

Back to top button