ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে ছিল না কোনো লাইফ জ্যাকেট

খুলেছে কর্মস্থল। তাই অনেকে ফিরছিলেন ঢাকায়। কিন্তু ফেরা আর হলো না। বুড়িগঙ্গার শ্যামবাজারে লঞ্চের সাথে ডুবে যায় প্রা'ণ, ডুবে যায় স্বপ্ন। স্বজন হা'রানোদের আর্তনাদ আর আহাজারি তাই থামছেই না। অনেকে হাসপাতা'লে হাসপাতা'লে ঘুরছেন প্রিয়জনের ম'রদেহের সন্ধানে। আপনজনকে হা'রানোর বেদনা যেমন আছে তেমনি নানা অব্যবস্থাপনার অ'ভিযোগ করে, দোষীদের বিচার দাবি জানান তারা।

অশ্রুহীন চোখে বুকফাটা আর্তনাদ। গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ থেকে ছুটি কাটিয়ে কলিজার টুকরা ছোটবোন আর প্রিয় মাকে নিয়ে কর্মস্থল রাজধানীতে ফিরছিলেন রিফাত। মৃ'ত্যুর সঙ্গে ল'ড়াই করে রিফাত বেঁচে গিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু পানির অ'তল গহ্বরে হারিয়ে ফেলেছেন মা আর স্নেহের ছোটবোনটিকে।

সদরঘাটের শ্যামবাজারে লঞ্চডুবির ঘটনায় এমন অনেকে হারিয়েছেন পরিবারের একাধিক সদস্য। তাদের কা'ন্না আর আহাজারিতে ভা'রাক্রান্ত সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতা'লের ম'র্গের চারপাশের পরিবেশ।

নিয়তির এমন নিষ্ঠুর খেলায় স্বজন হা'রানোর এই মানুষগুলোর দাবি, বিচার যেন হয় নদীর পানিতে ত্রাস চালান এসব অদক্ষ চালকের।

হাসপাতা'লের ম'র্গ যখন স্বজনের আহাজারিতে ব্যথিত, তখনো করো'না সংক্রণের ঝুঁ'কি বাড়িয়ে দিল অ'প্রয়োজনে আসা উৎসুক জনতা।

লঞ্চডুবির ঘটনায় বেঁচে ফেরা যাত্রীরা জানান, ডুবে যাওয়া লঞ্চটিতে ছিল না কোনো লাইফ জ্যাকেট কিংবা সুরক্ষা উপকরণ।

Back to top button