ম’দ না পেয়ে গু’নে গু’নে ২৫০ জনকে কা’মড়ালো ম’দ্যপ হনুমান!

এক দুজন নয়, গু’নে গু’নে ২৫০ জনকে কা’মড় দি’য়েছে হনুমান। তাও আবার ম’দ খে’তে না পেয়ে। তাই হনুমানটিকে পা’ঠানো হয়েছে আ’জীবন কা’রাবাসে।

ঘট’নাটি ঘ’টেছে ভা’রতের উত্তর প্র’দেশের মি’র্জা’পুর জে’লায়। এলাকায় ভীতি ছ’ড়িয়েছিল হনুমাটি। স্থা’নীয়রা তার নাম দেয় কালুয়া। এলাকার মো’ট আ’ড়াইশো জনকে কা’মড়ে দি’য়েছে সে। যাদের মধ্যে মা’রা গে’ছে একজন।

মূ’লত হনুমানটি এক তা’ন্ত্রিকের পো’ষ্য ছিল। যিনি এই হনুমান’টিকে নি’য়মিত ম’দ খাও’য়াতেন। দিনের পর দিন ম’দ্যপান করে রী’তিমতো নে’শাগ্রস্ত হয়ে প’ড়েছিল কালুয়া।

প্রতিদিনই ম’দের নে’শায় ব্যা’কুল হয়ে থা’কত সে। তবে কারও কোনও ক্ষ’তি ক’রত না। কিন্তু তা’ন্ত্রিকের মৃ ত্যুর পরই ব’দলে যায় চি’ত্র। ম’দ না পে’য়ে একেবারে হিং’স্র প্রা’ণীতে প’রিণত হয় কা’লুয়া। তারপর থেকেই লোকজনকে কা’মড়াতে শু’রু করে। এলা’কাজুড়ে আত’ঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। প’রিস্থিতি কা’র্যত হা’তের বাইরে যেতে দেখে এগিয়ে আসে ব’নদপ্তর এবং চি’ড়িয়াখানার ক’র্মক’র্তারা।

অনেক ক’ষ্টে হ’নুমানটিকে ধ’রে এনে রা’খা হয় কানপুর চি’ড়িয়াখানার খাঁ’চার ভি’তর। ঠি’ক হয় খাঁ’চা-ব’ন্দি অ’বস্থাতেই তাকে সু’স্থ করার চে’ষ্টা করা হবে। কিন্তু কালুয়া ব’দলাল না।

চি’ড়িয়াখানার চি’কিৎসক মো. নাসির বলেন, কয়েক মাস ধ’রে কালুয়াকে আ’ইসোলেশনে রা’খা হয়েছে। কিন্তু স্ব’ভাবে কোনও বদল আ’সেনি। আগের মতোই হিং’স্র। ওর আ’চরণে কোনও প’রিবর্তন না হওয়ায় আম’রা ঠি’ক ক’রেছি, সা’রাজীবন ওকে ‘গা’রদে’ই রে’খে দে’বো।

Back to top button
You cannot copy content of this page