ছিলেন তুতো বোন, ভালোবাসার টানে তাঁরাই হলেন বউ

সেলেবদের অন্দরমহলের কিস্সা শুনতে কার না ভালো লাগে! আর সেই সেলেবরা যদি ২২ গজের হন তাহলে তো জমে ক্ষীর! ক্রিকেটারদের নিয়ে নানান অজানা কথার সন্ধানে হাপিত্যেশ নয়নে চেয়ে থাকেন ভক্তরা। কিছু জানা যায়, আর কিছু কাহিনির কোনও হদিশই মেলে না। ঠিক যেমন ক্রিকেটারদের প্রে'ম কাহিনি। কারও প্রে'ম থেকে বিয়ে। কাউকে আবার ভগ্ন হৃদয়ে বিচ্ছেদেই সম্মতি জানাতে হয়েছে। এই ২২ গজেই আবার এমন ক্রিকেটারও রয়েছেন, যাঁরা সাফল্যের মগডালে পৌঁছেছেন স্রেফ প্রে'মের জন্যই। আবার এমন ক্রিকেটারও আছেন, যাঁরা সাপ-লুডোর খেলায় তরতর করে নেমে গিয়েছেন, একটা ব্রেক আপের কারণেই। কেউ প্রে'মে পড়েছেন ভক্তদের সঙ্গে, কেউ আবার বন্ধুর স্ত্রী'-র প্রে'মে হাবুডুবু খেয়ে পরবর্তীতে বিয়েই করে নিয়েছেন এক্কেবারে। কেউ কেউ আবার নিজের তুতো বোনের গলায় মালা পরিয়েছেন। পরিচয় করে নেওয়া যাক, এমনই কিছু আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারের সঙ্গে, যাঁরা নিজের তুতোবোনের সঙ্গেই গাঁটছড়া বেঁধেছেন।
​বীরেন্দ্র শেহওয়াগ –

জাঁদরেল বোলারদের ত্রাস প্রাক্তন ভা'রতীয় ওপেনার বীরেন্দ্র শেহওয়াগকে ক্লিন বোল্ড করে দিয়েছিলেন তাঁরই দূর স'ম্পর্কের এক আত্মীয়া। নিন্দুকেরা বলেন, আত্মীয়া আবার কি, বোন বলতে অ'সুবিধা কোথায়! ২১ বছর বয়সে পরিবারেরই খাস আত্মীয়ের কন্যা আরতি অহলাওয়াতকে প্রে'মের প্রস্তাব দেন বীরু। ২০০৪ সালের ২২ এপ্রিল অর্থাৎ ২০০৩ বিশ্বকাপের ঠিক এক বছরের মা'থায় আরতিকে বিয়ে করেন শেহওয়াগ। তাঁদের পরিবারে এখন দুই সন্তান– আর্যবীর এবং বেদান্ত।

​শাহিদ আফ্রিদি –

বহু বোলারদের বলে স্টেপ আউট করে ছক্কা হাঁকালেও প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি জ'ব্দ হয়ে গিয়েছিলেন নিজেরই মামাতুতো বোনের কাছে। আফ্রিদির মহিলা ভক্ত তালিকাও বিরাট। ক্রিকেট মহলে এক সময়ে জো'র গুঞ্জন ছিল যে, শাহিদ আফ্রিদির বাড়ির সামনে মহিলা ভক্তদের লম্বা লাইন থাকত আকছারই। সেই আফ্রিদিই শেষমেশ সব জল্পনা উড়িয়ে মামা'র মে'য়ে নাদিয়ার গলায় মালায় পরান। দুই পরিবারের সম্মতিতেই চার হাত এক হয় শাহিদ ও নাদিয়ার। চার কন্যাকে নিয়ে এই সুখী দম্পতির সোনার সংসার।

​সঈদ আনোয়ার –

পা'কিস্তানের সফলতম ওপেনিং ব্যাটসম্যানদের একজন ছিলেন সঈদ আনোয়ার। ১৯৯৬ সালে তুতো বোন লুবনাকে বিয়ে করেছিলেন এই ক্রিকেটার। তবে লুবনা ছিলেন সঈদের দূর স'ম্পর্কের বোন। সঈদ এ দিকে ছিলেন ক্রিকে'টে মজে। আর এক দিকে স্ত্রী' লুবনা ডাক্তারি করে যাচ্ছিলেন। হঠাৎই একদিন তাঁদের সামনে উপস্থিত হয় কঠিন পরিস্থিতি। কঠিন অ'সুখে মা'রা যান সঈদ এবং লুবনার কন্যা বিসমাহ। বিসমাহের মৃ'ত্যুর পর ক্রিকেট থেকে অবসর নেন সঈদ। পরে ফুল টাইম ধ'র্ম প্রচারকের কাজে নেমে পড়েন প্রাক্তন এই ক্রিকেটার।

source : ei samay

Back to top button