মা ও ভাইয়ের শোকে পু'লিশ কনস্টেবল আত্মহ'ত্যা করেছেন

গাজীপুরে মা ও ভাইয়ের মৃ'ত্যুর শোক সইতে না পেরে গলা কে'টে আত্মহ'ত্যা করেছেন পু'লিশের এক কনস্টেবল। বুধবার রাতে তার বাসা থেকে নি'হতের লা'শ উ'দ্ধার করেছে পু'লিশ।

নি'হতের নাম মো. রবিউল আউয়াল (২২)। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পশ্চিম বিলা'শপুর এলাকার মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জলিল খন্দকারের ছে'লে। রবিউল আউয়াল কি'শোরগঞ্জ পু'লিশ লাইনের কনস্টেবল হিসেবে কর্ম'রত ছিলেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পু'লিশের (জিএমপি) সদর থা'নার ওসি মুহাম্ম'দ আলমগীর ভূঞা জানান, প্রায় ৭/৮ মাস পূর্বে বিয়ের আগের দিন হৃদরোগে আ'ক্রান্ত হয়ে আউয়ালের বড় ভাই মা'রা যান। এর কয়েকদিন পর পুত্রশোকে আউয়ালের মা'ও হৃদরোগে আ'ক্রান্ত হয়ে মা'রা যান। মা ও ভাইয়ের মৃ'ত্যুতে মানসিক ভা'রসাম্য হারিয়ে ফেলে পু'লিশ কনস্টেবল আউয়াল।
গত জানুয়ারিতে চিকিৎসার জন্য ছুটি নিয়ে গাজীপুরের বাড়িতে আসেন তিনি। কয়েকদিন চিকিৎসা শেষে তিনি কর্মস্থলে যোগ দেন। কিন্তু আবারো অ'সুস্থ হয়ে পড়লে মা'র্চ মাসে পুনরায় ছুটি নিয়ে বাড়ি আসেন আউয়াল। তাকে ঢাকার একটি হাসপাতা'লে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তার মানসিক অবস্থার তেমন উন্নতি না হলে সম্প্রতি স্বজনরা সেখান থেকে তাকে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

ছুটিতে এসে তিনি দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এদিকে কর্মস্থলে যোগদানের চিঠি পেয়ে বুধবার সকালে আউয়ালকে নিয়ে তার বাবা ও ভাই কি'শোরগঞ্জে যান। কিন্তু সম্পূর্ণ সুস্থ না হওয়ায় তার পক্ষে কর্মস্থলে যোগদান করা সম্ভব হয়নি। অগত্যা বুধবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফিরে আসেন আউয়াল ও তার বাবা-ভাই। বাড়ি ফিরে আসার পর রাত ৮টার দিকে বাড়ির লোকজনের অগোচরে আউয়াল তাদের রান্নাঘরে ঢুকে ভিতর থেকে দরজার ছিট'কিনি আ'ট'কে দেয়।

সদর থা'নার এস আই মো. জহিরুল ইস'লাম জানান, দীর্ঘ সময়েও তার সাড়া শব্দ না পেয়ে বাড়ির লোকজন পু'লিশকে সংবাদ দেয়। খবর পেয়ে সদর থা'নার পু'লিশ ওই ঘর থেকে আউয়ালের গলা কা'টা র'ক্তাক্ত লা'শ উ'দ্ধার করে। এসময় ঘটনাস্থল থেকে র'ক্ত মাখা একটি বটি উ'দ্ধার করা হয়।

সদর থা'নার ওসি মুহাম্ম'দ আলমগীর ভূঞা আরো জানান, ধারণা করা হচ্ছে মা ও ভাইয়ের মৃ'ত্যুর শোক সইতে না পেরে মানসিক ভা'রসাম্য হারিয়ে বটি দিয়ে গলা কে'টে আত্মহ'ত্যা করেছেন পু'লিশ কন্সটেবল আউয়াল। তার গলা প্রায় ১০ ইঞ্চি কা'টা ছিল। বৃহস্পতিবার গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহম'দ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ম'র্গে নি'হতের ময়না ত'দন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এ ব্যাপারে নি'হতের বাবা বাদী হয়ে সদর থা'নায় একটি অ'পমৃ'ত্যু মা'মলা করেছেন।

Back to top button