ও আমায় মে'রে ফেলবে, সুশান্তের মুখে একথা শুনেই পালিয়েছিলেন রিয়া

মুম্বাইয়ের বান্দ্রার নিজ ফ্ল্যাট থেকে গত রোববার বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুতের ম'রদেহ উ'দ্ধার করেছে পু'লিশ। এই তারকা আত্মহ'ত্যা করেছেন নাকি খু'ন হয়েছেন, তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। এর মধ্যেই খবর বেরিয়েছে, ‘ও আমায় মে'রে ফেলবে’, সুশান্তের মুখে একথা শুনেই নাকি পালিয়েছিলেন তার প্রে'মিকা রিয়া চক্রবর্তী।’
ভা'রতীয় সংবাদমাধ্যম জিনিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুশান্ত সিং রাজপুতের মানসিক ঘটনার অবনতি নিয়ে তার প্রে'মিকা রিয়া চক্রবর্তীকে নাকি দূরে থাকার পরাম'র্শ দিয়েছিলেন পরিচালক মহেশ ভাট। সুশান্তের মৃ'ত্যুর পর উঠে আসছে এমনই তথ্য। এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন লেখিকা সুহরিতা সেনগুপ্ত।

‘‌ন্যাশনাল হেরাল্ড -এ প্রকাশিত প্রতিবেদনে সুহরিতা জানিয়েছেন, সুশান্তের সঙ্গে তার আলাপ হয়েছিল মহেশ ভাটের অফিসে। সুশান্ত সেখানে গিয়েছিলেন ‘সড়ক ২’-তে কাজ করার বিষয়ে কথা বলতে। একটি বিষয় নিয়ে সুশান্তের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন মহেশ ভাট। সুশান্তের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনার মধ্যেই তার মনের গভীরে এই কঠিন অ'সুস্থতার দিকটি খেয়াল করেছিলেন ‘ভাট সাব’।

সুহিত্রা সেনগুপ্ত বলেন, মহেশ ভাট খুব ভালো করে সুশান্তের বিষয়টা বুঝে যান। তিনি এটাও জানতেন চিকিৎসা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।

সুহরিতা জানিয়েছেন, ‌‘সুশান্ত নিয়মিত ওষুধ খাবেন, এটার জন্য রিয়া চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ও খেত না। গত বছর ও সকলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিল। তবুও রিয়া ওর সঙ্গে ছিল। এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যে সুশান্ত কণ্ঠস্বর শুনতে শুরু করেছিল। ও ভাবত, ওকে কেউ মে'রে ফেলতে চাইছে।’

‘একদিন ওর বাড়িতে অনুরাগ কাশ্যপের সিনেমা চলছিল। ওর সঙ্গে রিয়াও ছিল। ও রিয়াকে বলল, আমি অনুরাগ কাশ্যপের ছবির প্রস্তাব ফিরিয়েছি। ও আমাকে মে'রে ফেলবে। তারপর থেকেই রিয়া সুশান্তের সঙ্গে থাকতে ভ'য় পেত’, যোগ করেন লেখিকা।

সুহরিতা সেনগুপ্ত আরও জানিয়েছেন, ‘রিয়ার কিছু করার ছিল না। তাই ও স'ম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসে। মহেশ ভাট রিয়াকে বলেছিলেন, সুশান্তের সঙ্গে থাকলে ও নিজের মানসিক সুস্থতা হারিয়ে ফেলবে।’

‘তবে রিয়া অ'পেক্ষা করছিল যে সুশান্তের দিদি মুম্বাইয়ে এসে ভাইয়ের দেখাশোনা করুক। সুশান্তের দিদিরাও ওকে অনেক বুঝিয়েছিলেন। ওষুধ খেতে বলতেন, কিন্তু ও কারও কথা শুনতো না। শেষ মাসে সুশান্ত নিজের মানসিক কারাগারেই বন্দী হয়ে গিয়েছিল ‘ যোগ করেন লেখিকা সুহরিতা সেনগুপ্ত।

Back to top button